বড়দিনের আগে কার্ফু উঠল শিলংয়ে, সেজে উঠছে নগরী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘ সময় ধরে কোনও রকম হিংসাত্মক ঘটনা না ঘটায় অবশেষে রবিবার সকালে কার্ফু শিথিল করা হল শিলংয়ে। নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইনের প্রতিবাদে মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়েও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটায় সেখানে কার্ফু জারি করেছিল প্রশাসন।
নাগরিকত্ব (সং
শেষ আপডেট: 22 December 2019 12:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘ সময় ধরে কোনও রকম হিংসাত্মক ঘটনা না ঘটায় অবশেষে রবিবার সকালে কার্ফু শিথিল করা হল শিলংয়ে। নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইনের প্রতিবাদে মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়েও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটায় সেখানে কার্ফু জারি করেছিল প্রশাসন।
নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইনের প্রতিবাদে শিলংয়েও হিংসাত্মক প্রতিবাদ আন্দোলন হয়। সম্পত্তিহানির পাশাপাশি বেশ কয়েকজন আহতও হন এই আন্দোলনের জেরে। তার জেরেই ১২ ডিসেম্বর কার্ফু জারি করা হয় সদর ও লুমডিয়েংজরি থানা এলাকায়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকায় কয়েক দিন ধরেই রাতের দিকে কার্ফু জারি করা হলেও দিনে তা শিথিল করা হচ্ছিল। শিলংয়ে রাতের দিকেও হিংসাত্মক প্রতিবাদ হচ্ছিল, তাই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াইতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল প্রশাসন।
পূর্ব খাসি হিলসের জেলাশাসক এনডব্লিউ নংব্রি রবিবার সকালে জানিয়ে দেন, রবিবার ভোর চারটে থেকে কার্ফু পুরোপুরি শিথিল করা হয়েছে।

কার্ফু পুরোপুরি শিথিল হওয়ার পরেই সাগ্রহে পথে বেরতে শুরু করে দেন মানুষজন। প্রথমেই তাঁরা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করেন। সামনেই ক্রিসমাস বা বড়দিন, তাই বড়দিনের কেনাকাটাও তাঁরা করতে শুরু করে দেন। বড়দিনের মূল প্রার্থনাই হয় রাতে, সেই রাতের বেলায় কার্ফু জারি থাকলে বড়দিনের মজাটাই নষ্ট হয়ে যেত। সকাল থেকেই রাজধানীর পথঘাট সেজে উঠতে শুরু করে বড়দিনের সাজে। রাস্তায় টাঙানো শুরু হয় ফেস্টুন ও আলো।
ভুয়ো খবর ও গুজব রুখতে মোবাইল ইন্টারনেট ও মেসেজ পরিষেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে শুক্রবার থেকে এই দুই পরিষেবাও চালু করে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে বড়দিনের আগে একেবারে স্বাভাবিক হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে শিলং। উৎসবের মুখে শিলং ছন্দে ফেরায সরকারও স্বস্তিতে।
আগেই মেঘালয় বিধানসভা সমবেত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, ইনার লাইন পারমিট ব্যবস্থা যাতে বহাল থাকে সে ব্যাপারে তারা কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করবে।