
শেষ আপডেট: 17 October 2022 15:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের (Arif Mohammed Khan) সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের (Pinarayi Vijayan) বিবাদ লেগেই আছে। হামেশাই একে অপরকে নিশানা করে 'বাক্য বোমা' ছোড়েন। বিদেশ সফরে থাকা পিনারাইয়ের হয়ে এবার রাজ্যপালকে জবাব দিল তাঁর পার্টি।
নয়া বিবাদের সূত্রপাত কেরলের রাজ্যপালের প্রেস সচিবের একটি টুইট। তাতে আরিফ মহম্মদের বক্তব্য হিসাবে জানানো হয়, রাজ্যপাল জানিয়েছেন, কোনও মন্ত্রী এরপর রাজ্যপাল সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করলে তিনি সেই মন্ত্রীর প্রতি তাঁর সন্তুষ্টি প্রত্যাহার (Withdrawal of Pleasure) করে নেবেন।
সিপিএম পলিটব্যুরোর বক্তব্য, রাজ্যপালের এই মন্তব্যের অর্থ তিনি হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন যে মনে করলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে তিনি বরখাস্ত করতে পারেন। কিন্তু এমন স্বৈরাচারমূলক ক্ষমতা দেশের সংবিধান রাজ্যপালদের দেয়নি। এই মন্তব্য করে আরিফ মহম্মদ খান তাঁর রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব এবং কেরলের বাম গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি প্রতিহিংসার মনোভাব প্রকাশ করেছেন।
আসলে সংবিধানে মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের প্রতি রাজ্যপালের আস্থা, সন্তুষ্টির প্রশ্নটি আলংকারিক এবং আনুষ্ঠানিক। মন্ত্রীরা মুখ্যমন্ত্রী এবং বিধানসভার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। মুখ্যমন্ত্রী মনে করলে কোনও মন্ত্রীকে সরিয়ে দিতে পারেন অথবা পদত্যাগ করতে বলতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী না চাইলে রাজ্যপাল সরাসরি কোনও মন্ত্রীকে সরিয়ে দিতে বা পদত্যাগ করতে বলতে পারেন না। পদত্যাগপত্র গ্রহণও মুখ্যমন্ত্রীর সুপারিশ সাপেক্ষ। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন নিজেও পলিটব্যুরোর সদস্য।
সিপিএম পলিটব্যুরো (CPM Politburo) তাই রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ চেয়েছে। বলেছে রাষ্ট্রপতির উচিত রাজ্যপালকে সতর্ক করা, এই ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে।
মোদীর গুজরাতে ‘ফ্রি কা রাবড়ি’, ভোটের মুখে পরিবার পিছু দুটো করে সিলিন্ডার