
শেষ আপডেট: 11 February 2024 21:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার সন্ধে থেকে সন্দেশখালিকাণ্ডে শুরু হয়েছে নয়া ‘টুইস্ট’। শাহজাহান ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারের পরই গ্রেফতার হন স্থানীয় বিজেপি নেতা শঙ্কর সিং। এরপর রবিবার সকালে আচমকাই কলকাতার বাঁশদ্রোণী এলাকা থেকে সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দারকে আটক করা হয়। বসিরহাট থানার একটি দল তাঁকে সন্দেশখালিতে নিয়ে আসার জন্য পৌঁছয়। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর মুক্তির দাবিতে সোমবার সন্দেশখালিতে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল সিপিএম।
সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দারের মুক্তির দাবি জানিয়েছে সিপিএম। শুধু নিরাপদ নয়, সিপিএমের দাবি, সন্দেশখালিতে যে সকল নিরপরাধ মানুষদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদেরও মুক্তি দিতে হবে। সোমবার সন্দেশখালি ১ ও সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকে ১২ ঘণ্টার বনধের ঘোষণা করেছেন সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনার জেলা কমিটির সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তী।
বনধের পাশাপাশি সোমবার বেলা ১১ টা থেকে বসিরহাটে এসপি অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাবেন সিপিএম কর্মী-সমর্থকরা। রবিবার বাঁশদ্রাণী থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম সহ পার্টির কর্মীরা। থানার সামনের রাস্তা অবরোধও করা হয়।
এদিন পুলিশের গাড়িতে ওঠার সময় সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ দাবি করেন, তিনি নির্দোষ। যে অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে তা মিথ্যা বলেই জানান তিনি। সিপিএমের দাবি, যেদিন ইডির উপরে হামলা হয় সেইদিন সন্দেশখালিতে ছিলেন না নিরাপদ সর্দার। তিনি ছিলেন রাজ্য কমিটির বৈঠকে। পরদিন তিনি চলে যান বীরভূমে। তাই ‘নিঁখোজ’ শাহজাহানকে গ্রেফতার করা না হলেও কিসের ভিত্তিতে নিরাপদবাবুকে গ্রেফতার করা হল পুলিশকে তার জবাব দিতে হবে। এই নিয়ে আইনি লড়াই লড়বে বলেও জানিয়েছে লাল শিবির।
অন্যদিকে, আাগামীকাল সন্দেশখালি যেতে পারেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কেরালা সফর কাটছাঁট করে রাজ্যে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এদিন বিজেপিরও সন্দেশখালিতে কিছু কর্মসূচি রয়েছে। তার উপরে বনধ ডেকেছে বামেরা। সবমিলিয়ে সোমবার সন্দেশখালিতে উত্তাপ বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।