
শেষ আপডেট: 9 March 2024 18:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভা ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গে রাজনীতির হটস্পট সন্দেশখালি। এলাকার মানুষদের সমর্থন পেতে যেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের মধ্যে দড়ি টানটানি চলছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভায় সন্দেশখালির মহিলাদের নিয়ে যায় বিজেপি। ব্রিগেডে তৃণমূলের 'জনগর্জন' সভার দিনই সন্দেশখালিতে সুর চড়াতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরই মধ্যে সন্দেশখালি অভিযানের ডাক দিল সিপিএম।
আগামী ১১ মার্চ সোমবার সন্দেশখালিতে সভা করবে সিপিএম। তৃণমূলের 'জনগর্জন' সমাবেশের পরের দিনই সন্দেশখালিতে মিছিল ও সমাবেশ করবে সিপিএম। সুজন চক্রবর্তী ও প্রাক্তন স্থানীয় সিপিএম বিধায়ক নিরাপদ সর্দারের নেতৃত্বে সমাবেশের আয়োজন করেছে বামেরা। ওইদিন দুপুর আড়াইটে সন্দেশখালি থানার সামনে সিপিএমের সভার আয়োজন করা হয়েছে।
সন্দেশখালিতে বামেদের সভায় মূল বক্তা হিসাবে থাকবেন দেবলীনা হেমব্রম, সুজন চক্রবর্তী, পলাশ দাশ, নিরাপদ সর্দার সহ অন্যান্যরা। ইতিমধ্যেই বসিরহাট জেলা পুলিশের কাছে থেকে অনুমতি মিলেছে বলে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সিপিআইএম সূত্রের খবর।
সোমবার প্রথমে সন্দেশখালিতে মিছিল করবেন সুজন চক্রবর্তী ও নিরাপদ সর্দার সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। মিছিলের পরে সন্দেশখালিতে সভা করবে সিপিএম। তবে শুধু সোমবার নয়, রবিবারও ৯ টি জায়গায় সন্দেশখালি নিয়ে সভা করবে সিপিআইএম। যার মধ্যে যাদবপুর, রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদের মতো লোকসভা থাকতে পারে বলে খবর।
শাহজাহান বাহিনীর গ্রেফতারির পর ফের সন্দেশখালিতে পুরনো জমি ফিরে পেতে সচেষ্ট হয়েছে সিপিএম। শনিবার দীর্ঘ বারো বছর পর সন্দেশখালির দু'নম্বর ব্লকের কোড়াকাটি অঞ্চলে দখল হওয়া পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার করেছে সিপিআইএমের কর্মী সমর্থকেরা।
সিপিআইএমের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরই ওই এলাকায় তাদের একটি পার্টি অফিস দখল করে নেয়। বামেদের দলীয় পতাকা, ফেস্টুন সরিয়ে তৃণমূল নিজেদের পতাকা লাগিয়ে দেয়। কয়েকজন দলীয় নেতা, কর্মীকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। তবে শনিবার নিজেদের দলীয় ঝান্ডা ঝুলিয়ে দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার করে সিপিআইএম।
এদিন সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সরদার বলেন,"দলীয় কার্যালয়টি তৃণমূল কংগ্রেস দখল করে রেখেছিল। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ভয়ে আমার এতদিন সরব হতে পারেনি। আজ আমাদের ছেলেরা নিজেদের বাড়ি ফিরে পেয়েছে। এই পার্টি অফিসে এসে গরিব মানুষেরা তাদের নিজেদের সুখ-দুঃখের কথা জানাবে।" এদিন সিপিআইএম নেতা পলাশ দাশ দলীয় পতাকা উত্তোলন করে উদ্ধার হওয়া পার্টি অফিসের সূচনা করেন। উপস্থিত ছিলেন কোড়াকাটি অঞ্চলের প্রাক্তন প্রধান সত্যেন্দ্রনাথ গায়েন, ডি ওয়াই এফ আই এর ছাত্রনেতা কারিবুল্লা মোল্লা সহ একাধিক স্থানীয় নেতৃত্ববৃন্দ।