দ্য ওয়াল ব্যুরো : দু’বছর আগে গরু পাচারের অভিযোগে উত্তেজিত জনতা পিটিয়ে মেরেছিল পেহলু খান নামে এক ব্যবসায়ীকে। রাজস্থানের ওই ঘটনায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে পিটিয়ে মারার অভিযোগে মামলা হয়েছিল কয়েকজনের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে পেহলু খান ও তাঁর ছেলেদের বিরুদ্ধে গরু পাচারের মামলা হয়েছিল। বুধবার রাজস্থান হাইকোর্ট নির্দেশ দিল, পেহলু খানের বিরুদ্ধে মামলা নাকচ করে দেওয়া হোক।
পেহলু খানের বিরুদ্ধে চার্জশিট তৈরি করা হয়েছিল গতবছর ৩০ ডিসেম্বর। ২০১৭ সালের ১ এপ্রিল যে ট্রাকে পেহলু খান গরু পাচার করছিলেন বলে অভিযোগ, তার মালিকেরও নাম আছে চার্জশিটে। তার পরে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস। গত ২৯ মে বেহরোরে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে দাখিল হয়েছে চার্জশিট। তাতে পেহলু খান বাদে তাঁর দুই ছেলে ইরশাদ ও আরিফেরও নাম আছে।
চার্জশিটের কথা শুনে চমকে গিয়েছে পেহলু খানের পরিবার। ইরশাদ বলেছে, এই ঘটনায় আমরা নতুন সরকারের প্রতিও বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি।
গতবছর রাজস্থানের বিজেপি সরকারও পেহলু খানের দুই সহকারীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছিল। তারাও একসময় উত্তেজিত জনতার হাতে আক্রান্ত হয়। কিন্তু পুলিশ তাদেরই দোষী বলে মনে করেছিল।
৫৫ বছরের পেহলু খান ছিলেন মেওয়াতের নুয়া জেলার জয়সিংপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রমজানের সময় বাড়তি দুধ উৎপাদনের জন্য গরু কিনতে গিয়েছিলেন। পথে গোরক্ষকরা তাঁকে ঘিরে ধরে। তিনি তাদের গরু কেনার রসিদ দেখান। তাতেও দুষ্কৃতীরা ছাড়েনি। লাঠি ও রড নিয়ে তাঁর ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
গণধোলাইয়ে মৃত্যু নিয়ে শীঘ্র বড় ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। শিবসেনার প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী প্রশ্ন তোলেন, যে বুদ্ধিজীবীরা নিজেদের উদারপন্থী বলে পরিচয় দেন, তাঁরা এখন চুপ কেন?