
শেষ আপডেট: 1 July 2020 18:30
থাইরোকেয়ারের কর্ণধার এ ভেলুমানি[/caption]
কীভাবে এলাইজা টেস্ট করা হয়?
এলাইজা টেস্ট হল ‘এনজাইম লিঙ্কড ইমিউনোসরবেন্ট অ্যাসে’ যা দিয়ে রক্তে অ্যান্টিবডির পরিমাণ মাপা হয়। ভাইরাস বা ওই জাতীয় সংক্রামক প্যাথোজেন শরীরে ঢুকলে রক্তরসে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। এই অ্যান্টিবডি শরীরে রোগ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। গবেষকরা বলেছেন, সংক্রামক সার্স-কভ-২ ভাইরাল স্ট্রেন শরীরে ঢুকলে তার প্রতিরোধে খুব বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে না শরীরে। যার কারণেই সংক্রমণ সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে নানা অঙ্গে। এখন কোনও ব্যক্তির রক্তের নমুনায় যদি এমন অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়, তাহলেই বোঝা যাবে সেই ব্যক্তি কোভিড পজিটিভ। এই অ্যান্টিবডি চিহ্নিত করার জন্যই এলাইজা টেস্ট পদ্ধতি।
আইজিজি (IgG)এলাইজা কিটে থাকে পলিস্টাইরিন মাইক্রোটাইটার প্লেট যার উপরে অ্যান্টিজেন রাখা হয়। এই প্লেটের উপরে নমুনা ফেললে যদি অ্যান্টিবডি থাকে সেগুলো ওই অ্যান্টিজেনের সঙ্গে বিশেষ উপায় জুড়ে যায়। পরের ধাপে মার্কার-যুক্ত সেকেন্ডারি অ্যান্টিবডি দেওয়া হয় ওই প্লেটে। এইসব মিলে একটা রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। যদি নমুনায় অ্যান্টিবডি থাকে তাহলে সেকেন্ডারি অ্যান্টিবডির মার্কার তাকে চিহ্নিত করতে পারবে। সিগন্যাল দিয়ে জানান দেবে নমুনায় অ্যান্টিবডি রয়েছে। রঙের বদল দেখা যাবে টেস্ট কিটে।
থাইরোকেয়ার জানিয়েছে এলাইজা টেস্টে করোনা পরীক্ষা করার খরচ ৬০০ টাকার মতো। আরটি-পিসিআর টেস্টের থেকে অনেক কম। এই টেস্টের দায়িত্বে থাকা ডক্টর সিজার সেনগুপ্ত বলেছেন, মেট্রো শহরগুলো ছাড়াও দেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও এই টেস্ট করা হবে। এখনও অবধি ২৫০ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। অন্যান্য বেসরকারি ল্যাবে ৯০০-১৪০০ টাকা লাগে এই টেস্ট করাতে। সেখানে থাইরোকেয়ার ৬০০ টাকাতেই এই টেস্ট করবে। প্রয়োজনে পরে টেস্টের খরচ কমানো হতে পারে।