
শেষ আপডেট: 22 November 2023 20:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ঘরের এক পাশে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে প্রেমিকা। সেই ঘরের মেঝেতে পড়ে যুবকের রক্তাক্ত দেহ। হাতে রয়েছে বন্দুক। বন্ধ ঘর খুলে এভাবেই যুগলের দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। বুধবার এই ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে বারুইপুরের কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। সেখানে বাইপাসের কাছেই একটি বাড়ি থেকে যুগলের দেহ পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে, তাঁরা সেখানে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ভাড়া থাকতেন।
স্থানীয়দের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃতদের নাম উত্তম মণ্ডল (৪৮) ও অপর্ণা মণ্ডল (৪২)। বুধবার বিকেলে ভাড়া ঘর থেকে পচা গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা বারুইপুর থানায় খবর দিনে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে। উত্তমের হাত থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার হয়। পুলিশের অনুমান, মঙ্গলবার রাতেই এই ঘটনা ঘটেছে। অপর্ণাকে গুলি করে খুন করার পরেই উত্তম নিজে আত্মঘাতী হয়েছে। পুলিশ মৃতদেহ দুটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
স্থানীয় সূত্রের খবর, এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা দেবেন নস্কর বাড়িতে ছ'মাস আগে ভাড়াটে হয়ে এসেছিলেন অপর্ণা ও উত্তম। স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে থাকতেন। উত্তমের বাড়ি উস্তি থানার রসা এলাকায়। পেশায় তিনি ট্রাক চালক।
রসা এলাকায় খবর নিতেই পুলিশের কাছে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। পুলিশ জানতে পারে, অপর্ণার সঙ্গে উত্তমের তিনবছর ধরে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। উত্তমের স্ত্রী ও সন্তান উস্তিতেই থাকেন। অপর্ণার বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ধামুয়া এলাকায় বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, গত সোমবার উস্তির বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল উত্তম। তারপর আর সেখানে ফেরেননি।