
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 17 September 2024 12:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্দোলনকারীরা প্রধান পাঁচ দফা দাবির মধ্যে ছিল স্বাস্থ্য দফতরের তিন শীর্ষ কর্তাকে বদলি করতে হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দুর্নীতি, থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে যথাযত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছিলেন তাঁরা।
সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে জট খুললেও আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ মঙ্গলবার প্রশ্ন তুললেন, 'স্বাস্থ্য ভবন সাফাই অভিযান হল কই! স্বাস্থ্য দফতরের দু'জন কর্তাকে সরানো হলেও তাঁদের জায়গায় তো সেই সিন্ডিকেটের কাউকেই আনা হবে।" এই সূত্রেই তাঁদের প্রশ্ন, "তাহলে থ্রেট কালচার বা শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কি হবে? আদৌ কি এই সমস্যার সমাধান হবে?"
আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের এই প্রশ্নের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন সিনিয়র চিকিৎসকদের অনেকে। তাঁরা বলছেন, জুনিয়র চিকিৎসকরা যে পাঁচটি দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছিলেন, তার মধ্যে অন্যতম হল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভয় ও দুর্নীতি মুক্ত করা। স্রেফ দু'জন পদস্থ কর্তাকে বদলালেও রাতারাতি ওই সিস্টেমের বদল আনা সম্ভব হবে না বলেই মনে করছেন তাঁরা।
তাঁদের মতে, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে রাজ্য পদক্ষেপ করেছে সিবিআই গ্রেফতারের পর। এবং তারপরই সন্দীপের সঙ্গী এক'দুজনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে। কিন্তু এখনও এমন অনেকে রয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে সোমবারের বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, "আমরা ছাত্রদের কথাকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।" একই সঙ্গে তিনি এও বলেন, আমরা ওদের সরালেও অসম্মান করব না।
অর্থাৎ কোনও ধরনের শাস্তি মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না, এতেও ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীদের একাংশ। বিকেল ৪টের পর স্বাস্থ্য ও পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদলের কথা জানিয়েছে রাজ্য। আন্দোলনকারীদের কথায়, "আমাদের আংশিক দাবি পূরণ হয়েছে। তাই কাদের কে নতুন পদে আনা হচ্ছে সেদিকে নজর থাকবে।"