দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ, শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকে আপডেট বলছে, সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে মোট ৭,৯৩,৮০২। কোভিড-১৯ সংক্রমণে এখনও পর্যন্ত দেশে মৃত্যু হয়েছে মোট ২১,৬০৪ জনের। করোনার সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪,৯৫,৫১৩ জন। দেশে এখন অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ২,৭৬,৬৮৫। সমীক্ষা বলছে, এই পরিসংখ্যানের মধ্যে বয়স্কদের আক্রান্ত হওয়ার হারই বেশি।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, ভারতে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান খতিয়ে দেখলে দেখা যাবে, দেশে এই রোগে আক্রান্ত হয় মারা যাওয়া মানুষের মধ্যে ৮৫ শতাংশের বয়সই ৪৫ বছরের বেশি। পাশাপাশি, ৬০ বছরের বেশি যে সব মানুষরা এখন মারা যাচ্ছেন এ দেশে, তাঁদের মধ্যে ৫৩ শতাংশের মৃত্যুর কারণই করোনা সংক্রমণ। সংখ্যার নিরিখে তা ১১ হাজার ১৯৮৷
এই কারণে ৪৫ বছরের বেশি মানুষদের অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়ার কথা বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাঁদের প্রতি আলাদা করে নজর দিলে সংক্রমণের হার কম হতে পারে বলেই মনে করছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের স্পেশ্যাল ডিউটি অফিসার রাজেশ ভূষণ। তিনি দেশের করোনা পরিস্থিতির ছবি বিশ্লেষণ করে আরও ব্যাখ্যা করেন, দেশের মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ মানুষের বয়স এখন ৬০ থেকে ৭৪ বছরের মধ্যে। এঁদের মধ্যে ৩৯ শতাংশ মানুষেরই মৃত্যু হচ্ছে কোভিডের কারণে।
আবার ৭৫ বছর বয়সী মানুষদের মধ্যে ১৪ শতাংশের মৃত্যু হচ্ছে করোনার আক্রমণে। পাশাপাশি, মোট জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশ মানুষ ১৪ বছরের কম বয়সি। এঁদের মধ্যে কোভিড ১৯-এর কারণে মৃত্যুর মাত্র ১ শতাংশ এই বয়সের মানুষ। ১৫-৩০ বছরের কম বয়সি মানুষের মধ্যে করোনায় মৃত্যুর হার ৩ শতাংশ।
তবে সামগ্রিক বিচার করলে ৬০ বছরের নীচে যাঁরা করোনায় আক্রান্ত, তাঁদের সংখ্যাও কম নয়। মোট আক্রান্তের ৪৫ শতাংশই এ দেশে ৬০ বছরের নীচে রয়েছেন।
পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক এ-ও জানিয়েছে, দেশের মোট ৪৯টি জেলা থেকেই দেশের ৮০ শতাংশ করোনা সংক্রমণ হয়েছে৷ দেশের মোট ৭৩৩ জেলার মধ্যে যদি ৪৯টি জেলায় এই সংখ্যাটা গোষ্ঠী সংক্রমণ নয় বলেই মনে করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
রাজেশ ভূষণ এদিন আরও জানান, গোষ্ঠী সংক্রমণের সংজ্ঞা ঠিক কী, তা বলে দেওয়া হয়নি। তাই কীভাবে করোনা ছড়াচ্ছে, তা খতিয়ে পরীক্ষা করে তবেই এই নিয়ে মতামত দেওয়া সম্ভব হবে।