শেষ আপডেট: 13 February 2020 10:38
জাহাজটিকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তের জন্য কম্বোডিয়ার প্রশংসা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু।
জাহাজের ক্যাপ্টেন ভিনসেন্ট স্মিথ জানিয়েছেন, জাহাজটিকে সিহানুকভিলের বাইরে নোঙর করা হয়েছে, যাতে কম্বোডিয়া সরকারের তরফে আগে জাহাজটির যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা সম্ভব হয়। কম্বোডিয়ার মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, তারা জাহাজের যাত্রীদের সাহায্য করতে একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে।
তীরে ভিড়তে পারার পরে জাহাজের এক যাত্রী, আমেরিকার বাসিন্দা অ্যাঞ্জেলা জোনস বলেন, "আমরা কতবার ডাঙার কাছাকাছি পৌঁছে ভেবেছি, এই বুঝি নামতে পারব। বাড়ি যেতে পারব। আর ঠিক তখনই আমাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিনের পর দিন সময় কাটছিল না জাহাজে। আজ সকালেও যখন ডাঙার দিকে এগোচ্ছিলাম, দম বন্ধ করে অপেক্ষা করছিলাম। ভাবছিলাম, এটা কি সত্যি হবে! শেষমেশ নামতে পারলাম আমরা।"
আমেরিকার সংস্থা ‘হল্যান্ড আমেরিকা লাইন’ পরিচালিত এই জাহাজটি। ওই সংস্থার তরফে জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমণের কোন অস্তিত্ব মেলেনি জাহাজে। পরীক্ষা হয়ে যাওয়ার পরেই রাজধানী নমপেন হয়ে নিজের নিজের দেশে ফিরে যেতে পারবেন যাত্রীরা।
অন্যদিকে, সাংহাই থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে একটি জাহাজ আসছিল কলকাতা বন্দরে। তার নাবিকদের মধ্যে রয়েছেন ১৯ জন চিনা। সেই জাহাজটিকেও কোয়ারান্টাইন করে রাখা হয়েছে সাগর দ্বীপের কাছে। আজ, বৃহস্পতিবার নাবিকদের থার্মাল স্ক্যানিং হওয়ার কথা। তাঁদের কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা জানার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জাহাজটি নোঙর করতে দেওয়া নিয়ে।
চিনের হুবেই প্রদেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা। ১৩১০ জন ইতিমধ্যেই মারা গেছেন সরকারি ভাবে। আক্রান্ত হয়েছে ৪২ হাজার ২০০-এর বেশি মানুষ। মৃত্যুর সংখ্যায় এটি ইতিমধ্যেই ২০০২-০৩ সালের সার্স মহামারীকে ছাড়িয়ে গেছে।