দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার ভোরে মরা মোষের দেহ পিক আপ ভ্যানে চড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল চারজন। তাদের দুজন হিন্দু, দুজন মুসলমান। মরা মোষের দেহ নিয়ে যাচ্ছে দেখে চড়াও হল গ্রামবাসীরা। শুরু করল মারধর । রেহাই পায়নি দুই হিন্দুও।
গ্মোরাম্টিবাসীদের ধারণা, মোষটিকে চুরি করে মেরে ফেলেছে চারজন। গণধোলাই চলছে এমন সময় উপস্থিত হয় পুলিশ। গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে চারজনকে উদ্ধার করে আনে। উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের ঘটনা।
গত শনিবার রাজস্থানের আলোয়ারে গরুচোর সন্দেহে জনতা রাকবর খান নামে এক যুবককে গণধোলাই দেয়। পুলিশও তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে গড়িমসি করে। ফলে রাকবর মারা যায়। এই ঘটনা নিয়ে হইচই শুরু হয় দেশ জুড়ে। পুলিশও সমালোচিত হয়। কিন্তু হাথরাসে পুলিশ কাজ করেছে দ্রুত।
চারজনকে মারধরের ভিডিও ছবি তোলে একাধিক জন। একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, জনতা তাদের ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে। ধৃতদের একজন হাত জোড় করে বলছে, আমি গরুচোর নই। এক কন্ট্রাক্টরের কাছে কাজ করি। সে আমাকে বলেছিল এই গ্রাম থেকে মরা মহিষের দেহ সংগ্ৰহ করে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দিতে।
জনতা তার কথা বিশ্বাস করছে না। তাদের ধারণা, মোষটিকে চুরি করার পর বিষ দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।
আর একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, এক পুলিশকর্মী চেঁচিয়ে জনতাকে বলছেন, আপনারা শান্ত হন। নিজেদের হাতে আইন তুলে নেবেন না।
ঘটনাস্থল থেকে থানা ৫০ কিলোমিটার দূরে। পুলিশ চারজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গিয়েছে। মোষটির মালিককেও ডেকে পাঠানো হয়েছে থানায়।