হিন্দু নেতার হত্যাকারীর সিসিটিভি ছবি প্রকাশ, পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা পুলিশের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্ব হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি রণজিৎ বচ্চনের হত্যায় সন্দেহভাজনের সিসিটিভি ফুটেজের স্টিল প্রকাশ করল লখনউয় পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা হজরতগঞ্জে তাঁকে গুলি করে হত্যা করে আততায়ী, গুরুতর আহত হ
শেষ আপডেট: 3 February 2020 04:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্ব হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি রণজিৎ বচ্চনের হত্যায় সন্দেহভাজনের সিসিটিভি ফুটেজের স্টিল প্রকাশ করল লখনউয় পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা হজরতগঞ্জে তাঁকে গুলি করে হত্যা করে আততায়ী, গুরুতর আহত হন তাঁর ভাই।
সন্দেহভাজন সম্পর্কে কোনও তথ্য কেউ দিতে পারলে তাঁকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে পুলিশ।
ছবিতে দেখা গেছে, নীল রঙের ডোরাকাটা জ্যাকেট পরা এক যুবককে, তার মাথা শাল দিয়ে ঢাকা ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার ভোরবেলা ভাইকে নিয়ে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন বিশ্ব হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি রণজিৎ বচ্চন। সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ হজরতগঞ্জের সিটি সেন্টার এলাকায় সিডিআরআই বিল্ডিংয়ের সামনে হাঁটছিলেন তাঁরা। তখন কয়েকজন দুষ্কৃতী এসে তাঁর সামনে বন্দুক উঁচিয়ে দাঁড়ায়। তারা প্রথমে রণজিতের ফোন কেড়ে নেয়। তারপর বেশ কয়েকটি গুলি করা হয়। মাথায় ও বুকে গুলি লাগে হিন্দু মহাসভার ওই নেতার। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। তারপরেই সেখান থেকে পালিয়ে যায় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা।
গুলির আওয়াজ পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে এসে দেখেন মাটিতে পড়ে রয়েছেন রণজিৎ বচ্চন ও তাঁর তুতো ভাই আদিত্য শ্রীবাস্তব। দু'জনকেই সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা রণজিৎকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর তুতো ভাই আদিত্য শ্রীবাস্তবের হাতে গুলি লেগেছে, আঘাত গুরুতর।
ঘটনাস্থল থেকে বিহারের মুঙ্গেরে তৈরি একটি .৩২ বোরের পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

দক্ষিণপন্থী এই সংগঠনটি তৈরি করার আগে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বচ্চন।
ঘটনার পরেই তদন্ত শুরু করে লখনউ পুলিশ। ছ'টি দল তৈরি করে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি শুরু করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে জানা গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা বাইকে করে এসেছিল। কিন্তু পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানা যায়, তারা হেঁটেই এসেছিল। শাল দিয়ে মুখ ঢাকা ছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে নিহতের পরিবারের সদস্যদেরও। তাঁর সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক কালে এই নিয়ে লখনউতে দু’জন হিন্দু নেতাকে হত্যা করা হল। গত বছর অক্টোবর মাসে হিন্দু সমাজ পার্টির সভাপতি কমলেশ তিওয়ারিকে হত্যা করা হয়েছিল। তাঁর বাড়িতে ঢুকে হামলা করা হয়। তাঁর মুখে গুলি করার পাশাপাশি শরীরে ১৫ বার ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ধৃত আশফাক হুসেন ও মইনুদ্দিন পাঠান দোষ কবুল করেছিল বলে পুলিশ জানিয়েছিল।
https://www.four.suk.1wp.in/news-national-vishva-hindu-mahasabha-state-president-shot-dead-in-up/