দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার সকালে গুরগাঁওয়ের এক হাসপাতালে মারা গেলেন প্রথম সারির কংগ্রেস নেতা আহমদ পটেল। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১। তিনি কংগ্রেসে সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর উপদেষ্টা ছিলেন। কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পরে তাঁকে মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার ভোট চারটে নাগাদ তাঁর ছেলে ফয়জল পটেল টুইট করে জানান, রাজ্যসভার সাংসদ আহমদ পটেল রাত সাড়ে তিনটেয় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
ফয়জল টুইটারে লিখেছেন, "গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমার বাবা, আহমদ পটেল ২৫ নভেম্বর রাত সাড়ে তিনটেয় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মাসখানেক আগে তিনি কোভিড পজিটিভ হয়েছিলেন। মাল্টিপল অর্গান ফেলিওরের জন্য তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে।" একইসঙ্গে টুইটারে অনুরোধ করা হয়েছে, প্রয়াত নেতাকে শ্রদ্ধা জানানোর সময় তাঁর অনুগামীরা যেন ভিড় না করেন। কোভিড বিধি মেনে চলেন। ফয়জল পটেল লিখেছেন, "আমি নিজেও সবসময় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছি।"
https://twitter.com/mfaisalpatel/status/1331365042592247808
আহমদ পটেলের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে সনিয়া গান্ধী লিখেছেন, আমি এমন এক কমরেডকে হারালাম যাঁর স্থান আর কেউ নিতে পারবেন না। তিনি ছিলেন বিশ্বস্ত। তিনি সারা জীবন কংগ্রেসের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, তিনি ছিলেন অভিজ্ঞ রাজনীতিক। কংগ্রেসকে শক্তিশালী করে তোলার জন্য তিনি যে ভূমিকা নিয়েছিলেন তা সকলেই মনে রাখবে।
মোদী টুইটে লিখেছেন, "আহমদ পটেলজির মৃত্যুতে গভীর শোক পেয়েছি। তিনি বহু বছর ধরে মানুষের সেবা করেছেন। তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী। তাঁর ছেলে ফয়জলের সঙ্গে কথা হয়েছে। আহমদ ভাইয়ের আত্মার শান্তি কামনা করি।"
https://twitter.com/narendramodi/status/1331402822143725569
প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেন, "আহমদ পটেল ছিলেন কংগ্রেসের একটি স্তম্ভ। খুব কঠিন সময়ে তিনি দলের পাশে ছিলেন। আমরা তাঁকে মিস করব। তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।" প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বলেন, "তিনি আমাদের সকলের বন্ধু ছিলেন। তাঁর থেকে অনেকবার পরামর্শ নিয়েছি।"
আহমদ পটেল ছিলেন কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ। ১ অক্টোবর তিনি কোভিড পজিটিভ হন। ১৫ নভেম্বর তাঁকে গুরগাঁওয়ের মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১ অক্টোবর করোনা পজিটিভ হওয়ার পরে তিনি টুইটারে লিখেছিলেন, গত কয়েকদিনে যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁরা সকলেই যেন করোনা টেস্ট করিয়ে নেন।