
শেষ আপডেট: 5 November 2022 08:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী ১২ নভেম্বর হিমাচলপ্রদেশে (Himachal Pradesh) বিধানসভা নির্বাচন (assembly polls)। আজ, শনিবার নির্বাচনী ইস্তেহার (party manifesto) প্রকাশ করে কংগ্রেস (Congress) ঘোষণা করল, মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এক লাখ লোককে চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। সেটাই হবে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম সিদ্ধান্ত।
ক্ষমতায় এলে আরও নয়টি প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা জানিয়েছে কংগ্রেস। তার মধ্যে অন্যতম হল, বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আদলে হিমাচলেও মহিলারা মাসে দেড় হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন। মাসের শুরুতে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যাবে টাকা। এছাড়া কংগ্রেস বলেছে, গো-পালনে উৎসাহ দিতে দু'টাকা কেজি দরে গোবর কিনবে সরকার। গো-পালনের পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি হিসাবে গোবরের ব্যবহার ফেরাতে এই ভাবনা বলে কংগ্রেস নেতারা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে গো-পালকদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০ লিটার দুধ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দল।
বিজেপি ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের গোবর সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিকে তাদের থেকে টোকার অভিযোগ তুলেছে। উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের সরকার রাজ্যে অনাথ গোরুর জন্য অভয়ারণ্য চালু করেছে। এছাড়া অনাথ গরুর দেখভাল করার জন্য আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই গোবর সংগ্রহের কর্মসূচি যুক্ত করা হয়েছে।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, গোবর এবং দুধ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কংগ্রেস নরম হিন্দুত্বের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আর এই ব্যাপারে হিমাচল কংগ্রেসকে চালিত করেছেন ছত্তীশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। তিনিই কংগ্রেস হাইকমাণ্ডের তরফে হিমাচলে ভোট পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।
বাঘেলকে বলা হয়, কংগ্রেসের বিজেপি-পন্থী নেতা। গত মার্চে উদয়পুরে কংগ্রেসের চিন্তন শিবিরে তিনি খোলাখুলি বিজেপির হিন্দুত্বের কর্মসূচি অনুসরণ করার পক্ষে সরব হয়েছিলেন। নিজের রাজ্যেও তিনি মন্দির সংস্কার এবং রামের বনবাসযাত্রা রুটে পর্যটন বিকাশে বিপুল টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন।
নির্বাচনী ইস্তেহারে লোকপ্রিয় প্রকল্প ঘোষণা আটকানো নিয়ে দেশে চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলির মতামত চেয়েছে। মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু কোনও দলই এসব কানে তোলেনি। কংগ্রেস আজ বলেছে, হিমাচলে ক্ষমতায় ফিরলে তারা তিনশো ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনাপয়সায় দেবে। পাহাড়ি রাজ্যটিতে বহিরাগত পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে একেবারে নিচুতলায় ইংরেজি শিক্ষায় জোর দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস ঘোষণা করেছে, প্রতিটি জেলায় চারটি করে ইংরেজি মাধ্যম সরকারি স্কুল খোলা হবে।
আজ ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বাঘেল, এআইসিসি-র হিমাচলপ্রদেশের ইনচার্জ রাজীব শুক্লা, প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সুখবিন্দর সিং সুখু প্রমুখ।
বাংলার মন্ত্রী মোদীর মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন, ব্যাগ গুছিয়েও বাতিল শেষ বেলায়, উল্টে ধাক্কা চিঠির