দ্য ওয়াল ব্যুরো: এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ানে বিমানকর্মীকে চটিপেটা করে শিরোনামে এসেছিলেন শিবসেনা সাংসদ রবীন্দ্র গায়কোয়াড়। ঘটনা দু'বছর আগের। সেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানেই এ বার এক মহিলা বিমানকর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠল ছত্তীসগড়ের কংগ্রেস বিধায়ক বিনোদ চন্দ্রকরের বিরুদ্ধে। রায়পুর বিমানবন্দরে এই ঘটনা ঘটেছে গত ৭ অগস্ট। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন বিধায়ক। তাই তাঁকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি। যদিও এয়ার ইন্ডিয়ার দাবি অস্বীকার করেছেন বিনোদ।
রায়পুর থেকে রাঁচির উড়ান ছাড়ার কথা ছিল ৭ অগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বাকি যাত্রীরা সাড়ে ৫টার মধ্যে চেক ইন করে গেলেও, পৌঁছননি পাঁচ জন। যাঁদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেস বিধায়কও। বারংবার তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়। ৬টা ১৮ মিনিট নাগাদ বিমানের দরজা বন্ধ হয়। অভিযোগ, এর পরে পৌঁছেছিলেন বিধায়ক। তাই তাঁকে বিমানে উঠতে বাধা দেন এক মহিলা কর্মী। সেই নিষেধ তিনি শুনতে চাননি। উল্টে ওই মহিলা কর্মীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু করে দেন। অভিযোগ এমনও উঠেছে, যে ওই মহিলা বিমানকর্মীর সঙ্গে নাকি অত্যন্ত খারাপ আচরণ করেছিলেন কংগ্রেস বিধায়ক।
বস্তুত, এয়ার ইন্ডিয়ার দাবি উড়িয়ে বিনোদ বলেছেন, "আমি একজন বিধায়ক। আমি জানি কার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা উচিত। সাড়ে ৫টাতেই আমি বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলাম। আমি এবং আমার সঙ্গীদের জিনিসপত্র একাধিক বার সিকিউরিটি চেকিং করা হয়। তাতেই অনেকটা সময় যায়। " বিধায়কের দাবি, ৬টা ১০ মিনিট নাগাদ তাঁরা বিমানের দরজায় গিয়ে পৌঁছন, তখনই তাঁর রাস্তা আটকান ওই মহিলা বিমানকর্মী।
বিধায়কের আরও দাবি, "ওই মহিলা কর্মী আমাদর উপর চিৎকার করতে শুরু করেন। আমি যে সময় মতোই পোঁছেছিলাম তার প্রমাণ আছে। বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই বোঝা যাবে। আমি এয়ার ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ করতে পারি। ওই মহিলা বাজে কথা বলছেন।"