১০ সেপ্টেম্বর সশরীরে হাজিরা দিতে হবে বারুইপুর থানার ওসিকে।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 22 August 2025 21:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বারুইপুরের তরুণী নিখোঁজ পাঁচ মাস (College Girl Missing)। অভিযোগ—পুলিশ শুধু কাগুজে তদন্তেই ব্যস্ত। হদিস মেলেনি মেয়ের। ফলে ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বারুইপুর থানার ওসিকে (Summons OC) এবার সরাসরি আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিল বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রর ডিভিশন বেঞ্চ।
ঘটনা ২৯ মার্চের। বিকেলে টিউশন পড়তে বেরিয়েছিলেন পিয়ালি এলাকার এক কলেজছাত্রী। আর ফেরা হয়নি বাড়ি। সেই দিনই থানায় অভিযোগ করেছিলেন বাবা-মা। কিন্তু দিন গড়িয়েও মেয়ের খবর না মেলায় আদালতের শরণাপন্ন হন তাঁরা।
অভিযোগ, পিয়ালি গ্রামের নতুন পল্লিতে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন প্রশান্ত বর্ধন নামে এক ব্যক্তি। মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তিনিও উধাও। তাঁর নাগরিকত্ব নিয়েও সন্দেহ রয়েছে পরিবারের। সেখান থেকেই তাঁদের আশঙ্কা, মেয়েকে পাচার করা হয়েছে।
কিন্তু তদন্তে পুলিশের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। শুনানিতে পরিবারের আইনজীবী শোভন বেরা অভিযোগ করেন, মূল অভিযুক্ত বাংলাদেশি হতে পারেন। কিন্তু তাতেও পুলিশ সদর্থক পদক্ষেপ নেয়নি। পাল্টা পুলিশ দাবি করে, শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি এলাকায় রেইড হয়েছে, তবে কোনও ফল মেলেনি।
ডিভিশন বেঞ্চ পুলিশের এই যুক্তিতে সন্তুষ্ট নয়। তাই নির্দেশ, ১০ সেপ্টেম্বর সশরীরে হাজিরা দিতে হবে বারুইপুর থানার ওসিকে।