
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম
শেষ আপডেট: 27 December 2024 01:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের অর্থাৎ পার-এর অধীনে চলে যাচ্ছে হিডকো। এখনও পর্যন্ত হিডকো পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অধীনে রয়েছে। যার চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম। তবে সেই রাশ নিজের হাতে রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই চর্চা চলছে।
এ ব্যাপারে এখনও কোনও সরকারি নির্দেশিকা জারি না হলেও বৃহস্পতিবারের মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে এই সিদ্ধান্ত। ফিরহাদকেও এ ব্যাপারে নাকি ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন মমতা।
স্বাভাবিকভাবেই পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর থেকে যদি হিডকো পার-এর অধীনে চলে যায় তাহলে চেয়ারম্যান পদেও বদল ঘটবে। অর্থাৎ হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে চেয়ারপার্সন হবেন নয়তো অন্য কাউকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হবে। মোট কথা ববির নাগালে থাকছে না হিডকো।
সূত্রের খবর, অন্য কেউ নয়, খোদ মুখ্যমন্ত্রীই দায়িত্ব নেবেন হিডকোর। বাম জমানায় হিডকো আবাসন দফতরের অধীনে ছিল। সিপিএমের গৌতম দেব আবাসনমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ দিন হিডকোর চেয়ারম্যান পদে ছিলেন।
পালাবদলের পর মমতার মন্ত্রীসভার গোড়া থেকেই হিডকোকে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অধীনে আনা হয়েছিল। এবার যদি ববির হাত থেকে মমতার কাছে দায়িত্ব যায় তাহলে দীর্ঘ ১৪ বছর পর বদল ঘটবে ওয়েস্ট বেঙ্গল হাউসিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন' বা 'হিডকো'-র চেয়ারম্যান পদে।
কিন্তু হঠাৎ বদল কেন? ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই মনে করছেন, সম্প্রতি ফিরহাদ যে সংখ্যালঘু বক্তব্য করেছেন তারই হয়তো প্রভাব। কারণ। দীঘাতে যে জগন্নাথ মন্দির তৈরি হচ্ছে তা হিডকোর অধীনে। আর সেই কারণেই ফিরহাদকে নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই মমতা চাইছেন আগে-ভাগে হিডকো-কে কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের আওতায় এনে নিজেই দায়িত্ব নিতে।