Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

নির্ভয়ার দোষী অক্ষয়ের সাজা মকুবের আর্জি শুনলই না সুপ্রিম কোর্ট, পরবর্তী শুনানি আগামীকাল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্ভয়া কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত অক্ষয় ঠাকুরের ১৪ পাতার রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। দিল্লির দূষণ, পুরাণ-কলিযুগ ইত্যাদি যুক্তি সাজিয়ে সাজা মকুবের যে আর্জি খাড়া করেছিল ঠাকুর, সেটা শুনতেই চাইলেন না প্রধান বিচারপ

নির্ভয়ার দোষী অক্ষয়ের সাজা মকুবের আর্জি শুনলই না সুপ্রিম কোর্ট, পরবর্তী শুনানি আগামীকাল

শেষ আপডেট: 16 December 2019 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্ভয়া কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত অক্ষয় ঠাকুরের ১৪ পাতার রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। দিল্লির দূষণ, পুরাণ-কলিযুগ ইত্যাদি যুক্তি সাজিয়ে সাজা মকুবের যে আর্জি খাড়া করেছিল ঠাকুর, সেটা শুনতেই চাইলেন না প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে। নির্ভয়া কাণ্ডের দোষীর রিভিউ পিটিশন ঘিরে এ দিন সাকল থেকেই উচ্চেজনা তুঙ্গে ছিল। গণধর্ষণ ও নারকীয় হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্তের শাস্তি কমানোর আর্জি না শোনার জন্য দেশের শীর্ষ আদালতের কাছে আবেদনও করেছিলেন নির্ভয়ার মা। শুনানি শুরুর মুখেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে, বিচারপতি আর বানুমাথি ও বিচারপতি অশোক ভূষণের বেঞ্চ পষ্টাপষ্টি জানিয়ে দেয়, সাজা মকুবের কোনও কথাই শোনা হবে না। আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ফের শুনানি হবে নতুন বেঞ্চে। সেখানে রিভিউ পিটিশন দাখিল করতে পারে অক্ষয় ঠাকুর। ১৬ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন অক্ষয় ঠাকুরের আইনজীবী এপি সিং। মঙ্গলবার আদালত থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ঘটনার দিন তাঁর মক্কেল বিহারের ঔরঙ্গাবাদে নিজের বাড়িতে ছিলেন। তাঁর কাছে বাসের টিকিট ও অন্যান্য প্রমাণ রয়েছে। চাইলে সেগুলো আদালতে জমা করা যাবে। তাঁর আরও দাবি, ইচ্ছাকৃত ফাঁসানো হচ্ছে অক্ষয় ঠাকুরকে। এই মামলায় আর এক দোষী রাম সিং জেলের ভিতরে আত্মহত্যা করেনি, বরং তাকে খুন করা হতে পারে বলেও দাবি তুলেছেন তিনি। ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর এক নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয়েছিল রাজধানী দিল্লি। গভীর রাতে ফাঁকা বাসে জোর করে তুলে নেওয়া হয় বছর কুড়ির এক তরুণীকে। মেডিক্যালের ওই ছাত্রীর উপর চলে অমানবিক অত্যাচার। নৃশংশতার সীমা পেরিয়ে ছ’জন মিলে তরুণীকে গণধর্ষণ করে। এই ঘটনায় ৫ অভিযুক্তের ফাঁসির আদেশ দেয় নিম্ন আদালত। আর এক দোষী অপরাধের সময় নাবালক হওয়ায় সর্বোচ্চ তিন বছর জেল খাটার পর ছাড়া পেয়ে যায়। জেলে থাকাকালীনই এক দোষী রাম সিং আত্মহত্যা করে। বাকি চারজন অক্ষয় ঠাকুর, মুকেশ সিং, বিনয় কুমার এবং পবন গুপ্তের ফাঁসির সাজা বহাল থাকে। দোষীদের মধ্যে বিনয় কুমার দিল্লি সরকার ও কেন্দ্রের কাছে প্রাণভিক্ষার আর্জি জানিয়েছিল। কিন্তু দু’পক্ষই তা খারিজ করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠায়। সেখানেও সাজা মকুবের আর্জি খারিজ হয়ে যায়। অন্য দিকে সুপ্রিম কোর্টে ফাঁসির সাজা বহাল রাখার পর রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে রিভিউ পিটিশন দাখিল করে তিন দোষী বিনয়, মুকেশ ও পবন। কিন্তু শীর্ষ আদালত সেই আর্জি খারিজ করে দেয়। এরপর আইনজীবীকে দিয়ে ১৪ পাতার রিভিউ পিটিশন সাজিয়ে শীর্ষ আদালতে দাখিল করে আর এক দোষী অক্ষয় ঠাকুর। সাজা মকুবের আর্জি জানাতে গিয়ে অক্ষয় ঠাকুর টেনে আনে হিন্দু পুরাণ, মহাত্মা গান্ধী এমনকি দিল্লির দূষণকেও।  ১৪ পাতার রিভিউ পিটিশনে তার দাবি, “বেদ, পুরাণ, উপনিষদ অনুযায়ী যুগের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের আয়ুও কমে। আগে মানুষ হাজার বছরের বেশি বাঁচত, এখন কলিযুগ। এই যুগে মানুষের আয়ু কমে ৫০-৬০ বছরে এসে ঠেকেছে। খুব কম মানুষই ৮০-৯০ বছর পর্যন্ত বাঁচেন। আয়ুই যখন কম, তখন আর মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়ে কী হবে!” যুক্তির শেষ এখানেই হয়নি। মহাত্মা গান্ধীর উদ্ধৃতি তুলে ধরে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চায় দোষী অক্ষয় ঠাকুর। রিভিউ পিটিশনে উঠে আসে দিল্লির দূষণের কথাও। অক্ষয় ঠাকুরের দাবি, “বায়ুদূষণ রাজধানী দিল্লিকে গ্যাস চেম্বারে পরিণত করেছে। শুধু তাই নয় দিল্লির জলও বিষাক্ত। সে কথা সরকারও স্বীকারও করেছে। সবাই জানে দিল্লির বাতাস কতটা দূষিত, জল কতটা খারাপ। এই দূষণ আমাদের আয়ু দিন দিন আরও কমিয়ে দিচ্ছে। তাহলে আর ফাঁসির সাজা কেন!” সাজা মকুবের এমন যুক্তি শুনে ফের ক্ষোভের আগুন জ্বলে দেশে। দোষীদের দ্রুত মৃত্যদণ্ড কার্যকর করার জন্য আবেদন করে নির্ভয়ার পরিবার।

```