
শেষ আপডেট: 5 December 2019 11:35
তিনি বলেন, “কেউ একজন আমাকে বলুন... কোরান পড়ার জন্য কোনও একজন মানুষকে পাকিস্তানে নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়... বা বাংলাদেশে? যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে ধর্মের জন্য তাঁকে নিপীড়িত হতে হয়েছিল, তখন এই বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখা যেতে পারে।”
এই বিল মুসলমানদের বিরুদ্ধে বলে প্রচার করছে বিরোধী দলগুলো। কংগ্রেস নেতা শশী তারুর এই বিলকে ‘মৌলিক ভাবে সংবিধানবিরোধী’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতির মেয়ে ইলতিজা মুফতি টুইট করে বলেছেন, ভারত কোনও মুসলমানের দেশ নয়।
এ বছর জানুয়ারি মাসে সংসদে প্রথম নাগরিকত্ব সংশোধন বিল পেশ করা হয়। কিন্তু রাজ্যসভায় সেই বিল আটকে যায়। এই বিলে বাদ রাখা হয় উত্তর-পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, বিশেষ করে অসম, মেঘালয়, মিজোরাম ও ত্রিপুরার আদিবাসী এলাকা এবং ‘ইনার লাইন পারমিট’-এর মধ্যে যে অংশ পড়ছে।
বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, উত্তর-পূর্ব ভারতের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতা ও রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে অমিত শাহের বৈঠকের প্রধান কারিগর ছিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
দেশজুড়ে জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরণ করা হলে যেসব হিন্দু বাদ পড়বেন, তাঁদের রক্ষা করার জন্যই কি অমিত শাহ এটা করছেন? নাগরিকত্ব বিল পাস হওয়ার পরে পঞ্জিকরণের কাজ করা উপযুক্ত হবে বলে মনে করেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জায়গায় এ নিয়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হলেও জনতা এই বিলের পক্ষে বলেই তিনি দাবি করেছেন।
তিনি বলেন, “মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছেন... জনতাই ঈশ্বর। ভোটের সময়ই বিজেপি বলেছিল যে আমরা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আনব এবং জনতা আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করেছে।”