
শেষ আপডেট: 16 March 2022 11:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো : ২০১০ সালে ৩৬০০ কোটি টাকার বিনিময়ে ইতালি (Chopper Scam) থেকে ১২ টি অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার কেনার চুক্তি সই করেছিল ভারত। ওই চুক্তিকে কেন্দ্র করে ঘুষ দেওয়ার (Chopper Scam) অভিযোগ ওঠে। সিবিআই সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে অনুরোধ করেছে, তাদের যেন (Chopper Scam) প্রাক্তন জাতীয় অডিটর শশীকান্ত শর্মা ও প্রাক্তন এয়ার ভাইস মার্শাল জসবির সিং পানেসরের বিরুদ্ধে তদন্ত করার অনুমতি দেওয়া হয়।
অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড কেলেংকারির সময় শশীকান্ত শর্মা ছিলেন কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG)। তার আগে তিনি ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব। একইসঙ্গে ডেপুটি চিফ টেস্টিং পাইলট এস এ কুন্তে, টমাস ম্যাথু, উইং কম্যান্ডার এন সন্তোষের বিরুদ্ধেও তদন্ত করতে চায় সিবিআই। ২০১৬ সালে ওই মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআইয়ের স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিং টিম। ২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দারা এয়ার চিফ মার্শাল এস পি ত্যাগী ও আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন।
অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার তৈরি করে ফিনমেকানিকা নামে এক ইতালীয় সংস্থা। তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই কপ্টার কেনার চুক্তি হওয়ার সময় ১২ জনকে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন রাজনীতিকও ছিলেন। অভিযোগ, ফিনমেকানিকা যে কপ্টার ভারতের জন্য বানিয়েছিল, তাতে চুক্তির কয়েকটি ধারা মানেনি। কপ্টারের কেবিনের উচ্চতা ছিল কম। ওই কপ্টার যে উচ্চতায় উড়বে বলে ফিনমেকানিকা দাবি করেছিল, বাস্তবে অত উঁচুতে ওঠার ক্ষমতা তার ছিল না।
ইউপিএ সরকারের আমলে অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড কপ্টার কেনার চুক্তি হয়। স্থির হয়েছিল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য ভিভিআইপি ওই কপ্টারে উঠবেন। ২০১২ সালে ইতালিতে কপ্টার কেলেংকারির কথা জানাজানি হয়। ২০১৩ সালে অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ডের সিইও ব্রুনো স্প্যাগনলিনি ইতালিতে গ্রেফতার হন। ২০১৪ সালে ইউপিএ সরকার ওই চুক্তি বাতিল করে দেয়।
আরও পড়ুন : Missile Pakistan : ভারতকে পালটা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে তৈরি হচ্ছিল পাকিস্তান