দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাত্র ২ জনের ওমিক্রন (omicron) ধরা পড়েছে। কিন্তু তাতেই যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে (war footing) ঝাঁপিয়ে পড়েছে চিনা প্রশাসন (china)। বন্দর শহর তিয়ানজিনে (tianjin) গণ টেস্টিং (mass testing) করাচ্ছে। তিয়ানজিনে এই প্রথম ওমিক্রনের সন্ধান মিলল। কিন্তু সংখ্যাটা বড় কথা নয়, কোভিড ১৯ (covid 19) যে কোনও চেহারায় মাথা তুললেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছে শি জিনপিংয়ের দেশ। আর পাশের বেজিংয়ে শীতকালীন অলিম্পিক শুরু হতে চার সপ্তাহও যে বাকি নেই! রবিবার ১৪ মিলিয়ন বাসিন্দার কোভিড ১৯ পরীক্ষা শুরু হয়েছে তিয়ানজিনে। বাচ্চা, বয়স্ক মিলিয়ে ২০ জনের কোভিড ধরা পড়েছে। তার মধ্যে ওমিক্রন অন্ততঃ ২ জনের। একজন ১০বছরের মেয়ে। আরেকজন আফটার-স্কুল সেন্টারের ২৯ বছরের মহিলা কর্মী। দুজনের সংস্পর্শে আসা লোকজনের পরীক্ষার পর কোভিড পজিটিভ ১৮ জন। নেগেটিভ ৭৬৭ জন। আরও ২ দিন টেস্টিং চলবে। স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তারা জানাচ্ছেন, দ্রুত ছড়াচ্ছে ভাইরাসটা। অচিরেই সংখ্যাটা বাড়তে পারে।
৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে শীতের অলিম্পিকের আসর। সেকথা মাথায় রেখে কোভিড ১৯ মোকাবিলায় বিন্দুমাত্র শৈথিল্য না দেখানো, জিরো টলারেন্স কৌশল কঠোর ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত। তিয়ানজেনের ১১৫ কিমি উত্তরপশ্চিমে বেজিং। বহু লোক নিয়মিত দুই শহরের মধ্যে আসা যাওয়া করেন হয় গাড়িতে বা হাইস্পিড ট্রেনে। সময় লাগে এক ঘণ্টারও কম। তিয়ানজিন দুই লাইনে কয়েকটি সাবওয়ে স্টেশনও বন্ধ করে দিয়েছে সংক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টায়।
ওদিকে আরও দূরের দুই শহর জিয়ান ও ইউঝাওয়ে বড় মাত্রায় কোভিড সংক্রমণের ধাক্কায় লাখ লাখ বাসিন্দাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। দুই শহরেই দাপট ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের। ইউঝাওয়ে সংক্রমণের রেশ টের পাওয়া যাচ্ছে ৭০কিমি উত্তরে হেনান প্রদেশের রাজধানী ঝেংঝাওয়ে। সেখানে চলছে গণ হারে টেস্টিং। সোমবার থেকে বন্ধ হচ্ছে স্কুল।
চিনে এর আগে প্রায় এক ডজন ওমিক্রন সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। আক্রান্তদের বেশিরভাগই বিদেশ থেকে আসা। তাঁদের আলাদা করে রাখা হয়। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি একটি ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোয়ারান্টিনের ২ সপ্তাহ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত জানাই যায়নি যে, তিনি সংক্রমিত। ততদিনে অবশ্য বেরিয়ে পড়ে তাঁর খুব ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। গুয়াংঝাও শহরে।