
শেষ আপডেট: 25 March 2022 06:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত সোমবার চিনের একটি বিমান (China Plane) ভেঙে পড়লে ১৩২ জন নিহত হন। বৃহস্পতিবার চিনের সরকার জানায়, যেখানে বিমানের (China Plane) ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল, সেখান থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে বিমানের একটি অংশ পাওয়া গিয়েছে। তা থেকে মনে হয়, মাঝ আকাশেই বিমানের একটি অংশ (China Plane) খুলে পড়েছিল। বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমানের (China Plane) একটি অংশ কীভাবে দুর্ঘটনার আগেই খুলে পড়ল, তা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য।
চিন সরকারের মুখপাত্র জানিয়েছেন, যদি তদন্তকারীরা প্রমাণ করতে পারেন, মাঝ আকাশে বিমানের একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল, তাহলে হয়তো দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়া যাবে। আমেরিকার ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনস্ট্রেশনের প্রাক্তন প্রধান জেফ গুজেত্তি বলেন, বিমানের কোন অংশটি মাঝ আকাশে ভেঙে পড়েছিল, তা জানা দরকার।
দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি কুনমিং থেকে গুয়াংঝৌতে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার আগে পাইলট কোনও জরুরি বার্তা পাঠাননি। আচমকাই বিমানটি হু হু করে নেমে আসতে থাকে। গুয়াংঝৌ-এর ১০০ মাইল দূরে বিমানটি ভেঙে পড়ে। ৭৩৭-৮০০ বিমান সাধারণত ওইভাবে ভেঙে পড়ে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমানে কোনও গুরুতর যান্ত্রিক গোলযোগ ঘটেছিল।
দুর্ঘটনাস্থলের ১০ কিলোমিটার দূরে বিমানের যে অংশটি পাওয়া গিয়েছে, তা ৪.৩ ফুট লম্বা এবং চার ইঞ্চি চওড়া। চাষের জমিতে টুকরোটি পড়েছিল। তদন্তকারীরা বলেছেন, বিমানটি যখন গোত্তা খেয়ে নেমে আসছিল, তখনই ওই টুকরোটি ভেঙে যেতে পারে। অথবা দুর্ঘটনার আগে, মাঝ আকাশেই তা ভেঙে পড়েছিল।
গুজেত্তি বলেন, বিমানটি প্রচণ্ড গতিতে ২৯ হাজার ফুট নেমে এসেছিল। তখনই তার একটি অংশ খুলে গিয়ে থাকতে পারে। ফ্লাইটরেডার২৪ নামে সংস্থাটি জানিয়েছে, বিমানটি যখন মাটি থেকে মাত্র ৩২২৫ ফুট ওপরে, তখনও সে সিগন্যাল দিচ্ছিল। অর্থাৎ তখনও বিমানের মূল কাঠামো ছিল অক্ষত।
আরও পড়ুন : Imran Khan : শুক্রবার পাকিস্তানে আস্থাভোট, ইমরান বললেন, যাই ঘটুক, গদি ছাড়ব না