
শেষ আপডেট: 8 December 2022 05:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হিমাচলে (Himachal) জিতলেন বিজেপি প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর (Jai Ram Thakur) । ২২ হাজার ভোটের মার্জিনে জিতেছেন তিনি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি তাঁর এবং বিজেপির দখলে থাকবে কিনা, তা স্পষ্ট হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। এই মুহূর্তে বিজেপি ৩১ আসনে এগিয়ে। কংগ্রেস এগিয়ে ৩৪ আসনে। তিনটি আসনে এগিয়ে নির্দলেরা।
৬৮ আসনের হিমাচল বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে দরকার ৩৫ আসন। এই মুহূর্তে স্বস্তিতে নেই গেরুয়া শিবির। তবে হিমাচল নিয়ে এই অনিশ্চিয়তা দলের অজানা ছিল না। তাই ভোটের আগেই ওজনদার নির্দলদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে তারা।

একটু আগে সংবাদমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে হিমাচলে জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা এক নির্দলের পাশে দাঁড়িয়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির শীর্ষ নেতা দেবেন্দ্র ফড়ণবিশ। জানা যাচ্ছে ভোটের পর ওই নির্দল প্রার্থী সস্ত্রীক মুম্বই গিয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে। তখনই ফড়ণবিশের সঙ্গে বৈঠক হয় তাঁর। তিনি আসলে বিজেপির বিক্ষুব্ধ প্রার্থী। যে তিন আসনে নির্দলরা এগিয়ে তাঁরা সকলেই বিজেপির বিক্ষুব্ধ।
রাজনৈতিক মহলের খবর, ছবিটি বিজেপি শিবির থেকেই ছাড়া হয়েছে বাজারে। উদ্দেশ্য, জয়ের অপেক্ষায় থাকা নির্দলদের বার্তা দেওয়া, বিজেপি তাদের পেতে আগ্রহী। এই মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুরের বাড়িতে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসেছেন।
অন্যদিকে, প্রয়াত কংগ্রেস নেতা তথা হিমাচলের ছয়বারের মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের বাড়িতেও ভিড় বাড়ছে। কংগ্রেসের মাথাব্যথার কারণ, জয়ী প্রার্থীদের দলে ধরে রাখা। বিজেপির অপারেশন লোটাসের থাবা থেকে নিজের বিধায়কদের রক্ষা করতে রাজ্য কংগ্রেস নেতারা শলা শুরু করেছেন। একটি সূত্রের খবর, চূড়ান্ত ফল যাই হোক না কেন, দলের বিধায়কদের কংগ্রেস ছত্তীশগড় অথবা রাজস্থানে নিয়ে যাবে। ওই দুই রাজ্যে দল ক্ষমতায়। ছত্তীশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল হিমাচলে ভোটের দায়িত্বে ছিলেন।
খুনের আসামিকে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড, সবার সামনেই চড়ানো হল শূলে, পুরনো রূপে ফিরছে তালিবান