স্যালুট, টানা ৭ কিমি হেঁটে মাওবাদীদের ডেরায় গিয়ে ভোট দিলেন একশো বছরের বৃদ্ধা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাঠি হাতে, কুঁজো পিঠ নিয়ে গট গট করে হাঁটছেন তিনি। হাঁটা শেষ হল ভোট বুথের সামনে। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা হাতে গোনা ভোটারদের অবাক করে দিয়ে ভোট দিলেন একশো বছরের বৃদ্ধা।ছত্তীসগড়ের মাওবাদী প্রভাবিত দোরনাপালের মানুষও দেখলেন ভোটের সম
শেষ আপডেট: 13 November 2018 11:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাঠি হাতে, কুঁজো পিঠ নিয়ে গট গট করে হাঁটছেন তিনি। হাঁটা শেষ হল ভোট বুথের সামনে। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা হাতে গোনা ভোটারদের অবাক করে দিয়ে ভোট দিলেন একশো বছরের বৃদ্ধা।ছত্তীসগড়ের মাওবাদী প্রভাবিত দোরনাপালের মানুষও দেখলেন ভোটের সময় দরজা বন্ধ করে রাখার দিন আর নেই। ১০০ বছরের বৃদ্ধার আঙুলে ভোট চিহ্ন সেই বন্ধ দরজাই এক নিমেষে খুলে দিল।
দোরনাপালের ১০০ বছরের বৃদ্ধা ভোটার, নাম বিশ্বাস। যিনি মাওবাদীদের চোখ রাঙানিতে ভয় না পেয়ে ৭ কিমি পথ হেঁটে নিজের ভোট দিয়েছেন। জানালেন, ভোটের অধিকার সাহসের সঙ্গে জাহির করতেই এত কষ্ট করে হেঁটে আসা। শরীরে জোর নেই, জীর্ণ তিনি। তবে মনের জোরটা যে মারাত্মক। তাই তো হার না মানা এই জীবনীশক্তিকে দেখে হতবাক বুথকর্মী থেকে নিরাপত্তারক্ষীরা।
ছেলের সঙ্গে ১০০ বছরের বৃদ্ধা
ছত্তীসগড়ের সুকমা। মাওবাদীদের ঘেরাটোপে থাকা এই জঙ্গল অঞ্চলেই দোরনাপাল গ্রাম। যেখানে ভোটের দিন হুমকি পোস্টারে মানুষের ঘুম ভাঙে।"ভোট দিলেই মরতে হবে", এই পোস্টার দেখে অধিকাংশই ভোটের দিনে হয় ঘরছাড়া হন, নয়তো ঘরের দরজা বন্ধ রাখেন ভোট না হওয়া পর্যন্ত। সেই গ্রামে থেকেই ছেলের হাত ধরে ৭ কিলোমিটার পথ হেঁটে ভোট দিলেন বিশ্বাস, তা-ও একশো বছর বয়সে।
এবার আড়াল থেকেই ছত্তীসগড়ের ভোট দেখছেন “বস্তারের রানি”
জানা যাচ্ছে, ২০১৪ সালের নিরিখে ২০১৮ সালে ছত্তীসগড়ের প্রথম দফার ভোটে রেকর্ড সংখ্যক মহিলা ভোটার ভোট দিয়েছেন। মহিলা নিরাপত্তারক্ষীরাও বিপুল সংখ্যায় মোতায়েন থাকায় সাহস করেই ভোট দিতে এসেছেন মহিলা ভোটাররা।এঁদের মাঝেই নজির গড়লেন শতায়ু বৃদ্ধা। যিনি বোঝালেন গণতন্ত্র আসলে ভয়কে জয় করে স্বাধীন মনে পথ চলা।