
শেষ আপডেট: 20 August 2023 05:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গভীর রাত। দ্বিতীয় অগ্নিপরীক্ষাতেও জয় পেল ভারতের চন্দ্রযান (Chandrayaan 3)। পৃথিবীর কোল ছাড়িয়ে চাঁদের পাড়ায় ঢুকে পড়েছিল সেই কবেই। এবার চাঁদই আদর করে কাছে টেনে নিল চন্দ্রযানের বিক্রমকে। পুরোপুরি চাঁদের বাড়ির উঠোনে পা রেখে ফেলেছে ল্যান্ডার বিক্রম। এখন গৃহপ্রবেশের অপেক্ষা মাত্র।
প্রথম ডিবুস্টিং হয়েছিল ১৮ তারিখ সকালে। ইসরো জানিয়েছিল, ১৫৩ কিমি X ১৬৩ কিমি কক্ষপথে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই প্রবেশ করতে পেরেছিল চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3)। ডিবুস্টিং মানে হল গতিবেগ কমিয়ে থ্রাস্টার দিয়ে চাঁদের কক্ষে ঠেলে দেওয়ার পদ্ধতি। প্রথম ডিবুস্টিংয়ের পরে ১৫৩ কিমি থেকে ১১৩ কিমি কক্ষপথে ঢুকে পড়েছিল ল্যান্ডার বিক্রম। এবার ১০০ কিমি থেকে দূরত্ব কমিয়ে ৩০ কিমি করা হবে। সেই অবস্থান থেকেই চাঁদের মাটিতে নামার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সব ঠিক থাকলে ২৩ তারিখ সন্ধেয় সফট ল্যান্ডিংয়ের প্রক্রিয়া শুরু করবে ইসরো।
চাঁদে পৌঁছতে ৪০ দিনের মতো লাগছে ভারতের মহাকাশযানের। এর আগে শুক্রবার চাঁদকে প্রদক্ষিণ করার পর ল্যান্ডার বিক্রমের গতি কমানো হয় প্রথম ধাপে। আর গতরাতে দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত ধাপে কমানো হল বিক্রমের গতি।
আরও পড়ুন: রুশ চন্দ্রযানের সে কী দৌড়! কীভাবে ভারতের বিক্রমের দু'দিন আগেই চাঁদে নামবে লুনা-২৫
ইসরোর বিজ্ঞানীরা বলছেন, যদি গতিবেগে কোনও গোলমাল হয় বা চাঁদের পিঠে নামতে দেরি হয়, তাহলেও যাতে পর্যাপ্ত জ্বালানি থাকে সেই জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি ভরে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিকল্প কোনও জায়গাতেও নামতে পারে ল্যান্ডার বিক্রম। সেই সঙ্গেই থাকছে নতুন সেন্সর যার নাম লেসার ডপলার ভেলোসিটি মিটার। তিনটি ভেলোসিটি ভেক্টরও থাকছে ল্যান্ডারে। থাকছে উন্নতমানের ক্যামেরা ল্যান্ডার হরাইজন্টাল ভেলোসিটি ক্যামেরা (LHVC) এবং ল্যান্ডার পজিশন ডিটেকশন ক্যামেরা (LPDC)। এবারের চন্দ্রযানে মোট ১৩টি ‘থ্রাস্টার’ রয়েছে, যা সফট ল্যান্ডিং করতে সাহায্য করবে।