দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবার তেলঙ্গানা থেকে অন্ধ্রপ্রদেশে ফিরলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু। ডোমেস্টিক ফ্লাইট চালু হওয়ার পরেও তিনি ফিরেছেন সড়কপথে। অমরাবতীতে বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হয়ে তাঁকে সংবর্ধনা দেন। এরপরেই অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডির দল ওয়াই এস আর কংগ্রেস দাবি তুলেছে, চন্দ্রবাবুকে কোয়ারান্টাইনে পাঠাতে হবে। কারণ সংবর্ধনার জন্য অত লোক জড়ো করে তিনি সামাজিক দূরত্বের নিয়ম ভেঙেছেন।
৭০ বছর বয়সী চন্দ্রবাবুর সমালোচনা করে ওয়াই এস আর কংগ্রেসের নেতা গাডিকোডা শ্রীকান্ত রেড্ডি বলেন, “৩১ মে অবধি সারা দেশে লকডাউন জারি থাকবে। এখন সকলেই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছে। কিন্তু চন্দ্রবাবু অমরাবতীতে কয়েকশ লোক নিয়ে মিছিল করেছিলেন। অনেকে তাঁকে মালা পরিয়েছে। তাদের কারও মুখে মাস্ক ছিল না।” শ্রীকান্ত রেড্ডির প্রশ্ন, একজন প্রবীণ রাজনীতিক হয়ে চন্দ্রবাবু কীভাবে এই কাজ করতে পারলেন? তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত।
পরে তিনি বলেন, “চন্দ্রবাবু এতদিন রেড জোনে ছিলেন। তাঁর কোয়ারান্টাইনে যাওয়া উচিত।” তাঁর অভিযোগ, চন্দ্রবাবু এই পরিস্থিতিতে রাজনীতি করতে চাইছেন। হায়দরাবাদে থাকাকালীন তিনি জুম অ্যাপের মাধ্যমে রাজনীতি করতেন। আচমকা তিনি বিরাট কনভয় নিয়ে এখানে উপস্থিত হলেন। তিনি ভিন রাজ্য থেকে এসেছেন। তাঁর কোয়ারান্টাইনে থাকা উচিত।
গত ২২ মার্চ চন্দ্রবাবু হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন। তাঁর অমরাবতীতে ফেরা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরাও। তাঁরা বলেন, চন্দ্রবাবু সড়কপথে ফেরার সময় নিজে ছিলেন টয়োটা ব্ল্যাক ফরচুনার গাড়িতে। কিন্তু তাঁর কনভয়ের অন্য গাড়িগুলি ছিল টাটা সাফারি এসইউভি। তাদের রঙ রুপোলি। কোন গাড়িতে চন্দ্রবাবু আছেন, স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল।
২০০৩ সালে পিপলস ওয়ার গ্রুপ চন্দ্রবাবু নায়ডুকে হত্যার চেষ্টা করে। তার পর থেকে তাঁকে জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়।