দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে কাশ্মীরকে। সেখানে এখন কী ঘটছে, তা নিয়ে বাইরে খবর আসছে সামান্যই। এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকারের নিন্দা করে বিবৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার দফতর। একই অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন কংগ্রেস নেতা তহসিন পুন্নাওয়ালা। তিনি চান, অবিলম্বে কাশ্মীর থেকে কারফিউ ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হোক। ইন্টারনেট, ফোন ও টিভির নিউজ চ্যানেলগুলি ফের চালু হোক।
একইসঙ্গে পুন্নাওয়ালা আবেদন জানিয়েছেন, জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতিকে মুক্তি দেওয়া হোক। রাজ্যের বর্তমান অবস্থা এখন কী, তা জানার জন্য তৈরি হোক বিচারবিভাগীয় কমিশন। পুন্নাওয়ালার দাবি, সংবিধানের ১৯ ও ২১ নম্বর ধারায় মৌলিক অধিকার রক্ষার যে গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে তা মানা হচ্ছে না।
গত ৫ অগাস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যসভায় ঘোষণা করেন, সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরকে দু’ভাগ করার জন্য একটি বিল আনা হয়। তাতে বলা হয়, লাদাখ হবে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। জম্মু-কাশ্মীর হবে আর একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
ওই ঘোষণার এক সপ্তাহ আগে থেকে জম্মু-কাশ্মীরে বাড়তি সেনা মোতায়েন করা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় অমরনাথ যাত্রা। পর্যটকদেরও ফিরে আসতে বলা হয়। ভারত ৩৭০ ধারা বিলোপের পর পাকিস্তান জানায় এর বিরুদ্ধে তারা আন্তর্জাতিক স্তরে জনমত তৈরি করবে। ভারতের হাই কমিশনারকে ইসলামাবাদ থেকে ফেরত পাঠানো হয়। এর মধ্যে শ্রীনগর, পুঞ্চ, কারগিল ও কুপওয়ারা থেকে বিক্ষোভ ও হিংসার খবর এসেছে। ভারতে আঘাত হানার জন্য জৈশ জঙ্গিরাও প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।