
শেষ আপডেট: 17 January 2024 16:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্দেশখালি কাণ্ডের পর ১২ দিন অতিক্রান্ত। এখনও অধরা সন্দেশখালির বাদশা। নিখোঁজ শাহজাহানের খোঁজে এবার রাজ্য পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্ত করবে সিবিআই। নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর।
আদালত জানিয়েছে, এই বিশেষ তদন্তকারী দল প্রয়োজনে আধা সেনা ও রাজ্য পুলিশের সহযোগিতা নিতে পারবে। তদন্তকারী দলের মাথায় যৌথভাবে থাকবেন সিবিআইয়ের ও রাজ্যের এস পি পদমর্যাদার অধিকারিক। তদন্তকারী দলে থাকবেন ইসলামপুর পুলিশ ডিস্ট্রিক্টের এসপি জাসপ্রীত সিং।
যৌথ তদন্তের মাথায় সিবিআই তাঁদের কোন আধিকারিককে রাখতে চান, তা আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে।
বিচারপতি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আদালতের নজরদারিতেই চলবে যৌথ তদন্ত। এই বিশেষ তদন্তকারী দল রাজ্য বা কেন্দ্র কোথাও রিপোর্ট জমা দিতে পারবে না। সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া জমা দেওয়া যাবে না চূড়ান্ত রিপোর্টও।
গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে মারধর খেয়েছিলেন ইডি অফিসাররা। শাহজাহানে নাগালও তাঁরা পাননি। শাহজাহান পলাতক। তাঁকে এখনও ধরতে পারেনি পুলিশ। এই অবস্থায় ইডি আদালতে দাবি করে যে সন্দেশখালি কাণ্ডে তদন্তের ভার রাজ্য পুলিশের হাত থেকে নিয়ে সিবিআইকে দেওয়া হোক।
তবে এসব ক্ষেত্রে সাধারণত যৌথ তদন্তের নির্দেশই দিয়ে থাকে আদালত। এক্ষেত্রেও আদালতও যে এরকম কিছু একটা নির্দেশ দিতে পারে, তা আন্দাজ করে এদিন সিবিআইয়ের তরফে গোড়াতেই রাজ্যের সঙ্গে যৌথ তদন্তে আপত্তির কথা আদালতকে জানিয়েছিলেন আইনজীবী বিল্লদল ভট্টাচাৰ্য। তিনি বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অতীতে যৌথ তদন্তের ক্ষেত্রে দেখা গেছে রাজ্য সহযোগিতা করেনি।
তবে সিবিআইয়ের আপত্তি উড়িয়ে বিচারপতি যৌথ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছেন, আদালতের নজরদারিতে তদন্ত হবে। অর্থাৎ যৌথ তদন্তে কোনও পক্ষ অসহযোগিতা করলে সরাসরি আদালতে এসে জানানোর সুযোগ থাকছে অপর পক্ষের।