
শেষ আপডেট: 9 December 2022 08:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'গোলি মারো শালোকো' বলে আন্দোলনকারীদের গালি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Central Minister)। দিল্লি জুড়ে তখন সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন চলছে। মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গালি, হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল রাজনীতি। পদত্যাগের দাবিও ওঠে। কিন্তু কর্ণপাত করেনি কেন্দ্রীয় সরকার, বিজেপিও।
এমন মন্তব্যের জন্যও দিল্লি পুলিশ নরেন্দ্র মোদীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের (Anurag Thakur) বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে চায়নি। ফলে আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি তাঁকে। কিন্তু জনতার আদালত ছাড় দিল না। ভোটের বাক্সে দেখে নিল তাঁকে।
হিমাচলপ্রদেশের হামিরপুর বিধানসভা কেন্দ্রের সাংসদ অনুরাগ। বিধানসভা ভোটের প্রচারে তিনি ছিলেন বিজেপির স্টার ক্যাম্পেনারদের অন্যতম। দলের তরফে তাঁর জন্য একটি হেলিকপ্টার বরাদ্দ হয়েছিল। কিন্তু নিজের লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রেই শুধু হারেননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, তাঁর নিজের বুথেও হেরেছেন পদ্ম প্রতীকের প্রার্থীরা। যা অনুরাগের পরাজয় বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
কংগ্রেস এবং আপের প্রার্থীরা হামিরপুরের প্রচারে বড় করে ইস্যু করেছিলেন অনুরাগের দিল্লির মন্তব্যকে। তাঁরা মনে করছেন, দিল্লির পুলিশ নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রীকে বাঁচিয়ে দিলেও তাঁর নিজের কেন্দ্রের মানুষ বদলা নিয়েছেন। দুই প্রার্থীই আজ দাবি করেছেন, সেই স্লোগানের জন্যই মন্ত্রীর কেন্দ্রে দলের এমন পরিণতি।
হামিরপুরের ফলাফলকে ব্যক্তি অনুরাগের প্রতি অনাস্থা হিসাবেও দেখছে দল। হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে দীর্ঘদিন চেষ্টা করে যাচ্ছেন পাহাড়ি রাজ্যটির বড় নেতা প্রেম কুমার ধুমলের পুত্র অনুরাগ। প্রেম কুমার এর আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এবার অনুরাগ শিবিরের আশা ছিল, দল হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী মুখ হিসাবে অনুরাগকে তুলে ধরবে। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে দেয় দল। তবে তাতে দমে না গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী।হিসাবে বাবা ধুমলের কাজকর্মের ফিরিস্তি প্রচার করেন প্রতিটি সভায়। কিন্তু হিমাচলের মানুষ বিজেপির রাজ্য সরকারের পাশাপাশি মোদীর এই মন্ত্রীকেও প্রত্যাখ্যান করেছে।
চিংড়িহাটার দুর্ঘটনায় আহত পথচারীর মৃত্যু, একাধিক হাড় ভেঙেছিল পাঁজরের