
শেষ আপডেট: 16 February 2023 07:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিক্কি যাদব (Nikki Yadav) হত্যাকাণ্ডে এবার বড় প্রমাণ হাতে পেলেন তদন্তকারীরা। 'প্রেমিক' সাহিল গেহলটের (Sahil Gahlot) কাছ থেকে নিক্কির মোবাইল ফোনটি (Cellphone) উদ্ধার করেছে দিল্লি পুলিশ। এক অফিসার জানিয়েছেন, “নিক্কির ফোনের পাসওয়ার্ডও জানে সাহিল। আশা করা হচ্ছে, ফোনের ভিতরে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে, যা আমাদের তদন্তে কাজে লাগবে।”
তবে পুলিশের দাবি, নিক্কি যাদবকে খুন করার পরে ফোনটি নিয়ে বহু ডেটা মুছে দিয়েছে সাহিল, জেরায় এমনটাই জানিয়েছে সে। সাহিলের ফোন আগেই বাজেয়াপ্ত করেছে আধিকারিকরা। আপাতত ওই দু’টি ফোনই তদন্তকারী অফিসাররা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠিয়েছেন। দু'টি ফোনেরই ডেটা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে সামনে এসেছে আরও একাধিক নৃশংস ঘটনা। নিক্কির দেহ সাহিলের ধাবার ফ্রিজে রাখা আছে বলে জানতে পারার পরে সেই দেহ উদ্ধারের জন্য তড়িঘড়ি পৌঁছয় পুলিশ। ধাবার নতুন ফ্রিজটির দরজা খুলতেই পুলিশ দেখে, একটি মাঝারি মাপের বেড়াতে যাওয়ার ব্যাগ ভিতরে রাখা আছে। সেই ব্যাগেই যে মৃতদেহ ভরে রাখা, তা বুঝতে সমস্যা হয়নি কারওই। ব্যাগ খুলতেই ভিতর থেকে বেরিয়ে আসে প্রায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া নিক্কির দেহ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ।
তদন্তকারী অফিসারদের ধারণা, যেহেতু সেদিনই বিয়ে ছিল সাহিলের এবং গোটা ঘটনাটিই ঘটেছে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, তাই বেশ তাড়াহুড়ো করেই এই খুনের কাজটি সামলেছিল অভিযুক্ত সাহিল। জানা গেছে, নিজের বিয়ের দিন কিছু দরকারি কাজ রয়েছে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। তারপরে লিভ-ইন সঙ্গী নিক্কি যাদবকে ডেকে, গাড়ি করে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়ে ফোনের চার্জারের কেবল গলায় পেঁচিয়ে খুন করে।
জানা গেছে, নিক্কিকে খুন করার পর গাড়ির সিটে তাঁর মৃতদেহ বসিয়ে আরও ৪০ কিলোমিটার গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যায় সাহিল। এরপর সেই দেহ কোনওরকমে দুমড়েমুচড়ে ব্যাগে ভরে তা নজফগড়ের কাছে নিজের ধাবার ফ্রিজেই রেখে দেয় সে। এরপর একেবারে স্বাভাবিক ভাবে নিজের বাড়িতে ফিরে এসে বিয়ের পিঁড়িতে বসে। আংটি বদলের সময় বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে নাচানাচি, হুল্লোড় করে বিয়েও সারে।
খুনের আগের দিন কী করছিলেন নিক্কি? পুলিশের হাতে এল আবাসনের সিসিটিভি ফুটেজ