
শেষ আপডেট: 15 February 2023 14:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির নিক্কি যাদবের হত্যাকাণ্ডের (Nikki Yadav Murder Case) পরতে পরতে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের দাবি, গত ১০ ফেব্রুয়ারি গলায় ডেটা কেবল জড়িয়ে নিক্কিকে খুন করে নিজের ধাবার ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখে তাঁর প্রেমিক সাহিল গেহলট (Sahil Gehlot)। এই মৃত্যু রহস্যের তদন্তে নেমে এবার পুলিশের হাতে এল নিক্কির আবাসনের সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage)। নিক্কির ঘটনিক্নাকির ফের নতুন করে উস্কে দিয়েছে শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি। জানা গেছে, শ্রদ্ধার হত্যা রহস্য যে প্রক্রিয়ায় তদন্ত চলছে সেই প্রক্রিয়া ধরেই নিক্কির খুনের কিনারা করতে চায় পুলিশ। সেই মতো তদন্তও চলছে।
কী আছে সেই ফুটেজে?
দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির এক আবাসনে থাকতেন নিক্কি। সেই আবাসনের সিকিউরিটি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। হত্যার আগে তাঁকে শেষবার নিজের ফ্ল্যাটে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল। ফুটেজ দেখেই বোঝা যাচ্ছে কিছুটা বিধ্বস্ত ছিলেন নিক্কি।
পুলিশ জানিয়েছে, ভিডিওটি ৯ ফেব্রুয়ারির। তার ঠিক পরের দিনই প্রেমিকের হাতে খুন হন নিক্কি। ২০১৮ সালে সাহিলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তিনি। যদিও সম্প্রতি সেই সম্পর্কে চিড় ধরে। অভিযুক্ত সাহিলের দাবি, নিক্কিকে মেনে নেয়নি তার পরিবার। অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় তার। এ বছর ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি বিয়ে ও রিসেপশনের দিন ঠিক হয়। এদিকে, সাহিল বিয়ে সম্পর্কে কোনও কথাই নিক্কিকে জানায়নি। কিন্তু অন্য এক বন্ধুর মারফত গোটা বিষয়টি জানতে পারে নিক্কি এবং এই নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া-অশান্তি শুরু হয়।
সেই অশান্তির জেরেই খুনের সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানায় সাহিল। তার দাবি, নিক্কিকে শান্ত করতে সে হিমাচলে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। নিক্কি রাজি হয়। গাড়িতেও দু’জনের ঝগড়া শুরু হয়। সাহিলের বিয়ে নিয়েও কথা কাটাকাটি হয় দু'জনের। তার মুখ বন্ধ করতেই সাহিল গাড়িতে রাখা ডেটা কেবল নিক্কির গলায় পেঁচিয়ে ধরে। শ্বাসরোধ করে খুন করে তাঁকে। তারপর তাঁর দেহ নিজের ধাবার ফ্রিজে ভরে দেয় সাহিল।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত সব তথ্যই যাচাই করে রহস্যের কিনারা করতে চায় পুলিশ। এদিকে, মেয়ের সম্পর্ক ও খুনের বিষয়ে কিছুই জানত না নিক্কির পরিবার।
খুনের দিনই সাহিলের সঙ্গে গোয়ায় যাওয়ার কথা ছিল নিক্কির! বাড়িতে জানত না কেউ কিছু