
শেষ আপডেট: 1 December 2023 11:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেআইনি কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্ত সূত্রে রাজ্যের আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট চাইল সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন তথা সিবিআই।
সূত্রের খবর, কলকাতার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের শাখায় আইন মন্ত্রী মলয় ঘটকের একটি অ্যাকাউন্ট ছিল। ওই শাখায় তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদেরও অ্যাকাউন্ট ছিল। এ ছাড়া মলয় ঘটকের ঘনিষ্ঠ একজনের অ্যাকাউন্ট ছিল। ওই পাঁচটি ব্যাঙ্ক খাতা খোলার সময় থেকে যা যা লেনদেন হয়েছে তার বিবরণ চেয়েছে সিবিআই। ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের আঞ্চলিক দফতরে তা জমা দিতে বলা হয়েছে।
এও জানা গিয়েছে, ওই অ্যাকাউন্টগুলি খোলার জন্য কেওয়াইসি ডকুমেন্ট হিসাবে কী কী তথ্য দেওয়া হয়েছিল, তাও চেয়েছে সিবিআই। এর আগে মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রীর নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে অনিয়ম পেয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তবে মলয় ঘটকের ক্ষেত্রে এখনই সেরকম কোনও অভিযোগ করা হচ্ছে না। সিবিআই দেখতে চাইছে এই সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মারফৎ কোনও হিসাব বহির্ভূত বা বেআইনি লেনদেন হয়েছিল কিনা।
বেআইনি কয়লা পাচার নিয়ে তদন্তের সূত্রে এর আগে কেন্দ্রীয় এজেন্সি বহুবার তলব করেছে মলয় ঘটককে। কিন্তু অধিকাংশ সময়েই মলয় ঘটক সেই সব নোটিস এড়িয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি দিল্লি হাইকোর্টেও এ ব্যাপারে মামলা করেছিলেন। কিন্তু আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বরং জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় এজেন্সি নোটিস পাঠালে তাঁকে প্রশ্নের জবাব দিতে যেতে হবে।
বেআইনি কয়লা পাচারের সঙ্গে মলয় ঘটকের আদৌ কোনও যোগাযোগ ছিল কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ। তবে রাজনীতি অনেক সময়েই ধারণার ভিত্তিতে চলে। মলয় ঘটককে ইডি সম্প্রতি বেশ কয়েকবার তলব করেছে। এরই মধ্যে আবার রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করেছে ইডি। এই সব সাত সতেরো পরিস্থিতির মধ্যে অনেকেরই নজর এখন রাজ্য মন্ত্রিসভার এই প্রবীণ মন্ত্রীর উপর রয়েছে। এমনকী অনেকে এও আশঙ্কা করছেন যে লোকসভা ভোটের আগে কোনও অঘটনও ঘটে যেতে পারে!