
শেষ আপডেট: 16 April 2023 11:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্বাচন কমিশনারের (election commissioner) পদ থেকে অরুণ গোয়েলের (Arun Goel) অপসারণ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থের মামলা করেছে অ্যাসোসিয়েশন অফ ডেমোক্র্যাটিক রিফমর্স নামে নির্বাচনী সংস্কারের কাজে যুক্ত একটি সংগঠন। তাদের হয়ে মামলা লড়বেন বিশিষ্ট আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। মামলার শুনানির দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। তবে শীর্ষ আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গোয়েল শুধু মাত্র সরকারের ‘ইয়েস ম্যান’ হওয়ায় অমন গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁকে বসিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। এরফলে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গোয়েলকে নির্বাচন কমিশনার করা নিয়ে আগেই মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় সরকার জানায়, যে চারজন অফিসারের প্যানেল থেকে গোয়েলকে বেছে নেওয়া হয়েছে তাঁদের মধ্যে তাঁর বয়সের কারণে বেশিদিন কমিশনে থাকার সুযোগ রয়েছে। সেই কারণে তাঁকে বেছে নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকা কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার মন্ত্রক।
এডিআরের হয়ে মামলায় প্রশান্ত ভূষণ আদালতে বলেছেন, গোয়েল ১৯৮৫ সালের ক্যাডারের আইএএস। ওই বছর আরও ১৬৫জন অফিসার আইএএসের চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের অনেকেরই বয়স গোয়েলের থেকে কম। ফলে তাঁদের বাছা হলে অনেক বেশি দিন ওই অফিসারেরা কমিশনে থাকতে পারতেন।
ভূষণের বক্তব্য, আসলে যোগ্যতা নয়, অরুণ গোয়েলকে নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছে তিনি সরকারের আস্থাভাজন বলে। যে কারণে মাত্র একদিনের নোটিসে তিনি চাকরি থেকে আগাম অবসর নিয়ে কমিশনে যোগ দিয়েছেন। এমন নজির নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে নেই।
প্রসঙ্গত, গোয়েলের নিযুক্তি নিয়ে আগে হওয়া মামলায় সুপ্রিম কোর্টও তাঁকে তড়িঘড়ি নিয়োগ করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। কারণ, ওই অফিসারকে নিয়োগের আগে প্রায় নয় মাস নির্বাচন কমিশনারের পদটি ফাঁকা ছিল। আদালতও প্রশ্ন তোলে গোয়েলের কী এমন যোগ্যতা আছে যে নির্বাচন কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ এতদিন ফাঁকা রেখে একজন অফিসারকে আগাম অবসর নিইয়ে নিয়োগ করা হল। তবে ওই মামলায় আদালত চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে গোয়েল কমিশনার পদে যোগ দেন। পরে আদালত আর মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে চায়নি।