
বিস্ফোরণে উড়ে গেছে বাড়ির ছাদ
শেষ আপডেট: 1 April 2025 11:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাথরপ্রতিমায় বিস্ফোরণ (Patharpratima Blast)-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বাজি কারখানার মালিক তথা দুই ভাই চন্দ্রকান্ত বণিক এবং তুষার বণিকের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টায় (Attempt to murder) জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে স্থানীয় ঢোলাহাট থানায়। যদিও এখনও নিখোঁজ দু'জনেই। তবে স্থানীয়দের দাবি তাঁরা গ্রামেই কোথাও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে।
এছাড়াও ঘরে বিপজ্জনক বস্তু মজুত রাখা, অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারা-সহ মোট ছ'টি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে দমকল আইনেও মামলা রুজু হয়েছে। এখন কথা উঠছে, স্থানীয় বিধায়ক বলছেন, বাজি তৈরির লাইসেন্স ছিল দুই ভাইয়ের কাছে। কিন্তু প্রশ্ন, বাড়িতে বাজি মজুত করে রাখার কি লাইসেন্স ছিল?
অন্যদিকে, জানা গিয়েছে এক নয় একাধিক জায়গায় বাজি মজুত করে রাখা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে বাজি বা বোমা সরানোর জন্য স্থানীয় একটি মাঠে বাজি এবং বাজি তৈরির সরঞ্জাম ফেলে রাখা হয়েছে। যা দেখতে স্থানীয়রা ভিড় করেছেন। এখানেই পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বলা হচ্ছে তাদের তরফে এখনও বোমা-বাজি নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়নি। এলাকার ছোটরাও উৎসাহী হয়ে তা দেখতে আসছে। এখনও অবধি কোনও রকম নিরাপত্তা বলয়ে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখেনি, যে কারণে নিরাপত্তা নিয়ে ডামাডোল দেখা দিয়েছে।
বস্তুত, সোমবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ আচমকা বিকট শব্দ শোনা যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাট (Patharpratima News) থানার রায়পুরের তৃতীয় ঘেরি এলাকায়। অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ গিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার (Patharpratima Blast) বণিক পরিবারের আট সদস্যের। যাঁদের মধ্যে রয়েছে দু'জন সদ্যজাত-সহ চার শিশুও।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যে বিপত্তি হয়েছে তা নয়, বরং প্রায় এক দশক ধরে বাড়ির মধ্যে বেআইনিভাবে মজুত রাখা বাজি থেকেই প্রথম বিস্ফোরণ ঘটে। তারপর সিলিন্ডার ফাটে। বাড়ির মধ্যেই ছিল বেআইনি বাজির কারখানা। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার গ্রামে যাওয়ার কথা রয়েছে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করবেন তাঁরা।