
শেষ আপডেট: 1 July 2019 13:38
কয়েক দিনে আগেই দেখা যায়, রিও গ্রান্ডে নদীর তীরে কর্দমাক্ত মাটির ভিতরে মুখ ডুবিয়ে পড়ে আছেন বাবা ও তাঁর শিশুকন্যা। কন্যাটির মাথা তার বাবার টি-শার্টের মধ্যে লুকানো। একটি হাত জড়িয়ে রেখেছে বাবার কাঁধের ওপর। তাদের ডুবে মারা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই ছবিটি তোলেন সাংবাদিক জুলিয়া। এক তীব্র বিষাদ ফুটে ওঠে সে ছবিতে। আরও এক বার নগ্ন হয় ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির কুফল। আর এই বিষয়টি নিয়ে সামালোচনা করতেই মাইকেল ডি অ্যাডার কার্টুনটি এঁকেছিলেন।
[caption id="attachment_119631" align="aligncenter" width="400"]
কার্টুনিস্ট মাইকেল ডি অ্যাডার[/caption]
এর পরেই রবিবার ওই সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে তাঁকে বলা হয়, তাঁর সঙ্গে যত কনট্র্যাক্ট ছিল, সে সবই বাতিল করা হয়েছে। কার্টুনিস্ট বলছেন, "ট্রাম্পের ওই কার্টুনটি ভাইরাল হওয়ার পরে বিষয়টি এমন দাঁড়িয়েছে, যে আমি যেন ওদের জন্য কোনও সময়ে কোনও কাজই করিনি!"
এই বিষয়টি নিয়ও কার্টুনিস্ট মাইকেল ডি অ্যাডার আরও একটি টুইট করেছেন। ওই টুইটে তিনি বলেন, "গত দু'সপ্তাহ আগে আমি ট্রাম্পের তিনটি কার্টুন আঁকি। তার মধ্যে দু'টি ভাইরাল হয়ে গেছে। আর ভাইরাল হওয়ার এক দিন পরেই আমার সব চুক্তি বাতিল হয়ে যায়।"
তার এই চুক্তি বাতিলের খবরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই বলেন, ট্রাম্পকে সামালোচনা করে আঁকা এই কার্টুনটি পুলিৎজার পুরস্কার পেতে পারে।
তবে তাঁর চুক্তি বাতিলের বিষয়ে ব্রান্সউইক নিউজ ইনকর্পোরেটেড একটি বিবৃতিতে জানায়, মাইকেল ডি অ্যাডারের চুক্তি বাতিল হওয়া নিয়ে মিথ্যে গল্প তৈরি করা হয়েছে। ট্রাম্পের কার্টুন আঁকার কারণে মোটেই ডি অ্যাডারের চুক্তি বাতিল হয়নি, এটি নিছক সমাপতন।