
শেষ আপডেট: 4 March 2024 17:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন শেখ শাহজাহান। মামলার তদন্তভার গেছে সিআইডির হাতে। তবে এখন প্রশ্ন, শাহজাহান কার হেফাজতে থাকবেন? কলকাতা হাইকোর্টে সন্দেশখালি নিয়ে দায়ের হওয়া স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানিতে সোমবার এই নিয়ে সিদ্ধান্ত হল না। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রেখেছে।
রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে সন্দেশখালিতে গিয়ে ইডি আধিকারিকরা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান। তবে ইডির ওপর হামলার ঘটনায় সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশ নিয়ে যে সিট গঠন করা হয়েছিল তার তদন্তের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত। বিষয় হল, শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পর এখন পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। সোমবার হাইকোর্ট রাজ্যের কাছে জানতে চায়, তদন্তেই যদি স্থগিতাদেশ থাকে তাহলে সে পুলিশের হেফাজতে কীভাবে, কেন তাকে জেল হেফাজতে দেওয়া হল না?
ইডির তরফ থেকেও শাহজাহানকে জেল হেফাজতে পাঠানোর আর্জি জানানো হয়েছে। সোমবারই তাঁরা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে বলেছে, অভিযুক্তকে পুলিশ নিজের হেফাজতে রেখে তদন্তের অগ্রগতিকে আটকানোর চেষ্টা করছে। তাঁদের এও বক্তব্য, তদন্তে স্থগিতাদেশ থাকার পরও পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এটা অনৈতিক। অবিলম্বে শেখ শাহজাহানকে যেন জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। এই ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্তের দাবিও করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্ট এই ঘটনায় শুধু তদন্তের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, গ্রেফতারিতে কোনও নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। এই নির্দেশ নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। তৃণমূলের তরফে স্পষ্ট দাবি করা হয়েছিল, আদালতই পুলিশের হাত বেঁধে রেখেছিল তাই গ্রেফতার করা যাচ্ছিল না শাহজাহানকে। পরে অবশ্য বিষয়টি পরিস্কার করে দেয় হাইকোর্ট। অন্যদিকে, শাহজাহানের আইনজীবীর প্রশ্ন, তদন্তে যদি স্থগিতাদেশ থাকে তাহলে তাঁর মক্কেলকে কোনও হেফাজতে রাখা হচ্ছে কীভাবে?