
শেষ আপডেট: 26 April 2024 17:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তর ২৪ পরগনার পর এবার মালদহ। প্রাথমিকে ২৫০ জন শিক্ষককে নিয়োগের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদকে এই নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ।
২০০৯ সালে বাম আমলে উত্তর ২৪ পরগনা, মালদহ ও হাওড়ায় নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ক্ষমতায় আসার পর স্বজন পোষণের অভিযোগে সেই প্যানেল বাতিল করে দেয় বর্তমান তৃণমূল সরকার। পরে ২০১৫ সালে ফের লিখিত পরীক্ষা হয়। কিন্তু তাতেও দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বেশ কিছু প্রার্থী। যার জেরে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়।
শেষ পর্যন্ত বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট হয়ে ফের হাইকোর্টেই ফেরত আসে। ২০১৫ সালে প্যানেল তৈরি হয়ে গেলেও বছরের পর বছর আইনি জটে নিয়োগ আটকে ছিল। অবশেষে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ২০২১ সালে প্যানেল প্রকাশ করতে নির্দেশ দেন। বিচারপতি চক্রবর্তীর বেঞ্চ জানায়, শূন্যপদের নিরিখে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে।
সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের পরও দুর্নীতির অভিযোগ পিছু ছাড়েনি। অভিযোগ ছিল, যারা বেশি নম্বর পেয়েছেন, তাদের প্যানেলে নাম নেই। সব পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে সেই মামলারই নিষ্পত্তি করেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। নির্দেশে বিচারপতি জানিয়েছেন, চলতি বছরের ২৫ এপ্রিলের আগে যারা আবেদন জানিয়েছিলেন অর্থাৎ ২৫০ জনকে দু’মাসের মধ্যে নিয়োগ করতে হবে।
অন্যদিক, বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার মোট ৮৬৭ জন শিক্ষককে আগামী দু'মাসের মধ্যে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মান্থা। এছাড়াও কয়েকদিন আগে হাওড়া জেলাতেও প্রাথমিক নিয়োগে প্রায় ৪০০ জন শিক্ষককে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি মান্থা।
হাইকোর্টের নির্দেশে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এক ধাক্কায় চাকরি হারিয়েছেন ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। ইতিমধ্যেই বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শাব্বার রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য এবং এসএসসি। এরই মাঝে প্রাথমিক নিয়োগে এল সুখবর।