
শেষ আপডেট: 9 April 2024 17:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জিটিএ-তে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জিটিএ অন্তর্ভুক্ত এলাকায় টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে আগেই সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এবার উত্তরবঙ্গের পাহাড়ের স্কুলের নিয়োগ দুর্নীতিতে তদন্ত করবে সিবিআই। ১৫ দিনের মধ্যে সিবিআই-কে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বসু।
জিটিএ-র অধীনে প্রাথমিক, আপার প্রাইমারি ও উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা ছাড়াই ৭০০ জনের বেশি শিক্ষককে পাহাড়ে নিয়োগ করা হয়েছে। এই বিষয়ে তদন্তের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলায় নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ জানিয়ে বিচারপতির হাতে একটি বেনামী চিঠি এসে পৌঁছয়। এবার দার্জিংয়ের স্কুল ও পুরসভার নিয়োগে সেই 'রহস্যময়' চিঠির কতটা সত্যতা রয়েছে তা অনুসন্ধান করতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে এদিন সংশ্লিষ্ট মামলাটিতে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু প্রশ্ন তোলেন, "অভিযোগ পাওয়ার পরও পুলিশ কেনও অভিযোগ দায়ের করেনি? ৭০০ জনের নিয়োগ দুর্নীতিতে কতটা সত্যতা রয়েছে?" এপ্রসঙ্গে বিধাননগর উত্তর থানার আইসি-র হলফনামাামী তলব করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে যোগ্যতা ও নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জিটিএ-কে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
মুর্শিদাবাদের গোঠা হাইস্কুলে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে মামলা গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই সূত্রেই আদালতের কাছে এসে পৌঁছয় কিছু বেনামী চিঠি। চিঠির সূত্র ধরে সামনে আসে জিটিএর অন্তর্গত স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ। এ বিষয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি।
সূত্রের খবর, চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, ওই নিয়োগ দুর্নীতি আদতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং বিনয় তামাং-এর মস্তিষ্ক প্রসূত। এমনকী এই দুর্নীতি সংগঠিত করার পিছনে একজন ডিস্ট্রিক্ট ইন্সপেক্টর বা ডিআই এবং তৃণমূল ছাত্রনেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নামও উঠে আসছে বলে অভিযোগ। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতার হাত আছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে জিটিএ এলাকায় শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়। দূর্নীতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সেই বছর মার্চ মাসে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়।