
শেষ আপডেট: 14 December 2023 16:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বকেয়া ও কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন চলছে দীর্ঘদিন ধরে। রবিবারই তাঁরা আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়িয়েছিলেন। ১৯ থেকে ২২ ডিসেম্বর নবান্নর সামনে অবস্থান বিক্ষোভ ও সভার ডাক দিয়েছিলেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। কিন্তু বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন তাঁরা। নবান্নের সামনে সভা করার অনুমতি দিলেন না বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।
প্রায় এক বছর ধরে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে পথে নেমেছে সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। ময়দান চত্বরে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন বৃহস্পতিবার ৩২২ দিনে পড়ল। তাদের দাবি নিয়ে মামলা ঝুলে আছে সুপ্রিম কোর্টে। শুনানির তারিখ বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় যৌথ মঞ্চ নবান্নের সামনেই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়।
নবান্নের সামনে সভা করতে চেয়ে হাওড়া পুলিশের আছে আবেদন করেছিলেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। যদিও পুলিশ মিছিলের অনুমতি নিয়ে টুঁ শব্দটি পর্যন্ত করেনি। তারপরই আদালতে মামলা করার অনুমতি চান সরকারি কর্মচারীরা।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, 'ময়দানে বসে আন্দোলন করার অনুমতি আছে আপনাদের। হাওড়ার যেখানে আপনারা সভা করবেন বলছেন তা অত্যন্ত ব্যস্ত জায়গা। তাই সেখানে সভা করার অনুমতি দেওয়া যাবে না।' তবে হাইকোর্টে সরকারি কর্মচারীদের মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি। হাইকোর্ট সূত্রে খবর, আগামী সোমবার সেই মামলার শুনানি হতে পারে।
নবান্নের সামনে সভা করার কর্মসূচি ছাড়াও পরের বছর জানুয়ারিতে আরও কিছু কর্মসূচি আছে ডিএ আন্দোলনকারীদের। জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় সপ্তাহে একটি মহা মিছিলের ডাক দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মঞ্চের। হাওড়া, শিয়ালদহ এবং হাজরা মোড় থেকে সরকারি কর্মচারী এবং চাকরিপ্রার্থীদের সেই মিছিল এসে জমা হবে ধর্মতলার শহীদ মিনারের পাদদেশে। তারপর আমরণ অনশন শুরু করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁদের। এছাড়া জানুয়ারি মাসেই রয়েছে আরও একটি কর্মসূচি। মাসের শেষ সপ্তাহে তিন দিনের জন্য অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সমস্ত সরকারি দফতর বন্ধ করে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তাঁরা। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত নবান্নের সামনে বিক্ষোভ-কর্মসূচির ভবিষ্যৎ কী হয়।