
শেষ আপডেট: 11 November 2022 09:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জেনিভায় শুরু হয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার পরিষদের বৈঠক। সেখানে আলোচনায় উঠল ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং ঘৃণা ভাষণ প্রসঙ্গ। কোন কোন দেশ এবং সংগঠন এই বিষয়টি উত্থাপন করে, জানা যায়নি। তবে কড়া জবাব দেওয়া হয় ভারতের তরফে (CAA Issue in United Nation Human Right Council Meeting)।
অধিবেশনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta)। তিনি জবাবি ভাষণে বলেন, সিএএ (CAA) কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য করা হয়নি। ওই আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য, প্রতিবেশী দেশে বসবাসকারী নিপীড়িত সংখ্যালঘুদের ভারতে (India) বসবাসের সুযোগ দেওয়া। সেই উদ্দেশে তাদের নাগরিকত্ব প্রদানে এই আইন তৈরি করা হয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরে বহু সংগঠন ও ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ভারতে মুসলিমদের টার্গেট করাই আইনটির উদ্দেশ্য। এই অভিযোগের সপক্ষে তাদের যুক্তি, মুসলিমদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ওই আইনে বলা হয়নি। সিএএ-তে সংখ্যালঘু হিসাবে প্রতিবেশী দেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখদের গণ্য করা হয়েছে। কিন্তু নাগরিকত্ব কখনও ধর্মের ভিত্তিতে দেওয়া যায় না।
ঘৃণা ভাষণ নিয়ে তুষার মেহতা বলেন, বাক স্বাধীনতা ভারতের সংবিধানের মৌলিক ভিত্তি। কিন্তু তা অসীম নয়। অধিকার প্রয়োগে নাগরিকদেরও কিছু কর্তব্যসাধন জরুরি। ঘৃণা ভাষণ প্রতিরোধে ভারতে আইনি বিধান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে সুপ্রিম কোর্ট ঘৃণা ভাষণ নিয়ে সরব হয়। সাম্প্রতিককালে ঘৃণা ভাষণের বেশ কিছু ঘটনায় উদ্বেগ ছড়ায় দেশ জুড়ে।
পুলিশের কামড় নিয়ে স্পিকার: উত্তেজনা প্রশমনে কিছু করলে অপরাধ নয়