শেষ আপডেট: 7 November 2020 09:35
ভার্চুয়ালি এই উৎসব মঞ্চে নানা বিষয়ে সেমিনারের আয়োজন করা হবে, যেমন - বিভিন্ন প্রজাপতির ছবি, প্রজাপতি সম্পর্কে ক্যুইজ, প্রজাপতির প্রজাতি নিয়ে আলোচনা এবং প্রজাপতির শারীরিক গঠন ও পরিবর্তন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসারে আলোচনা। সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে এবছর এই অনুষ্ঠানটি অনলাইনে করার কথা ভাবা হয়েছে বলে জানা গেছে।
লিটিল টাইগার পিয়েরোট, আলিদা অ্যাঙ্গেল, রেড অ্যাডমিরাল থেকে অরেঞ্জ আওলেট - এরকম একাধিক প্রজাতির প্রজাপতিদের নিয়ে এই উৎসবে আলোচনা হবে জানিয়েছেন প্রতিনিধিরা।
প্রতি বছর জাতীয় জৈব বিজ্ঞান কেন্দ্র (এনসিবিএস), কর্ণাটক ইকোটুরিজম বোর্ড, বেঙ্গালুরু বাটারফ্লাই ক্লাব(বিবিসি) এবং ইন্ডিয়ান ফাউন্ডেশন ফর বাটারফ্লাইয়ের সম্মিলিত উদ্যোগে এই প্রজাপতি উৎসব পালিত হয়। জানা গেছে এবছর নভেম্বর মাসেই শুরু এবং নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে এই উৎসব।
সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে এবছর শুধু বিবিসির চার থেকে পাঁচজন সদস্য দোরস্বামীপাল্যা পার্ক ঘুরে দেখবেন এবং সেখান থেকেই প্রজাপতি সম্পর্কে লাইভ করবেন দর্শকদের জন্যে। এছাড়াও এখানকার প্রতিনিধিরা জানান যে ১০ জনের বেশি কোনও গ্রুপেই কোনও লোক রাখা হবে না।
বিবিসির একজন প্রতিনিধি অশোক সেনগুপ্ত জানান যে, "লকডাউন আমাদের পরিবেশের অনেক উপকার করেছে। যেসব দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির প্রজাপতিদের আগে দেখা যেত না তাদে্রও দেখা মিলছে এখন। এর ফলে বোঝা যাচ্ছে, আমাদের চারপাশে দূষণের মাত্রা কিছুটা হলেও কমেছে।"
তবে এবছর পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার জন্যে প্রকৃতির কাছাকাছি বেড়াতে যেতে পারছে না মানুষ। শিলং, চেরাপুঞ্জি বা মেঘালয় কোথাও এবছর আর পর্যটকদের তেমন রমরমা ভিড় নেই। পর্যটকদের ভিড় না থাকলেও, প্রকৃতি তার নিজের ছন্দে ফিরে এসেছে। হিমালয়, পশ্চিমের খাসি পাহাড়গুলোও চেরি ফুলে সেজে উঠেছে প্রতিবছরের মতো। মেঘালয়ও সেজে উঠেছে নিজের মতো করে। আশা করা যায় নতুন বছরে আবারও জঙ্গলপ্রেমী মানুষেরা ফিরে যেতে পারবেন প্রকৃতির কাছে।