
শেষ আপডেট: 9 October 2023 00:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় চিকিৎসক ছিলেন তিনি। সকলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় ছিল, পাড়ার যে কোনও প্রয়োজনেও পাওয়া যেত সুমিত খটিককে। এমন সদাহাস্যময় ব্যক্তির আচমকা কী এমন হল যে তাঁর ঝুলন্ত দেহ মিলল! এই প্রশ্নই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে বর্ধমানের ইন্দ্রকানন এলাকায়।
রবিবার সন্ধ্যায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক সুমিত খটিকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান সম্ভবত পারিবারিক অশান্তির কারণেই আত্মঘাতী হয়েছেন সুমিত। রবিবার রাত পর্যন্ত কারও নামে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ওই চিকিৎসকের বাবা এবং ঠাকুমা কলকাতার রাজারহাটে থাকেন। কর্মসূত্রেই বর্ধমানে থাকতেন সুমিত। স্ত্রী, ১০ বছরের কন্যা সন্তান এবং স্ত্রী-র মা বাবার সঙ্গেই থাকতেন সুমিত। জানা গেছে, এদিন সকালে সুমিতের স্ত্রী সঙ্গীতা তাঁর বাবাকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে ছিলেন সুমিত এবং তাঁর শাশুড়ি। দুপুরে খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করলেও সাড়া না মেলায় পড়শিদের জড়ো করেন বৃদ্ধা। স্থানীয়দের একজন দেখেন বাড়ির উপরের একটি ঘরে সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছে সুমিতের দেহ।
এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। সুমিতের সহকর্মী বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ কৌস্তভ নায়েক জানান, চিকিৎসক হিসেবে বেশ সুনাম ছিল সুমিতের। তিনি ওই হাসপাতালের আরএমও ছিলেন। এলাকার উন্নয়ন কমিটির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন সুমিত।