দ্য ওয়াল ব্যুরো : বাড়ির দরজা খোলা রেখে ১১ জন একে একে গলায় দড়ি দিল অথচ বাইরের কেউ বিন্দুবিসর্গ জানতে পারল না, তা কী হয় ?
বুরারির গণ আত্মহত্যা নিয়ে এমনই ভাবছে পুলিশ। সেজন্য ওই পরিবারের আত্মীয়-বন্ধুদের জিজ্ঞাসা করে তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, কেউ কিছু জানত কিনা। তার মধ্যে যে যুবকটির সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা ভাটিয়ার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল তাকে দু’বার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার তাকে টানা তিন ঘন্টা ধরে নানা প্রশ্ন করেছেন তদন্তকারীরা।
যুবকটি আগেই বলেছিল, সে বাড়ির কারও মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকত্ব লক্ষ করেনি। প্রিয়াঙ্কার পরিবার কোনও গোপন ধর্মানুষ্ঠান পালন করত, এমনটাও তার জানা নেই। দ্বিতীয়বারের জিজ্ঞাসাবাদে সে কী বলেছে জানা যাচ্ছে না।
পুলিশ ইতিমধ্যে জানতে পেরেছে, প্রিয়াঙ্কার 'মাঙ্গলিক দোষ' ছিল । তাই দীর্ঘদিন তার বিয়ে হয়নি। ললিত ভাটিয়া নামে পরিবারের এক সদস্য মনে করত, তার সঙ্গে পরলোকগত পিতা কথা বলেন। পিতার 'আদেশেই' সে ও বাড়ির অন্যরা গলায় দড়ি দেয়। তাদের বিশ্বাস ছিল, এর বিনিময়ে অনন্ত সুখের অধিকারী হওয়া যাবে।