বাজেট হাইলাইটস, ২০১৯
পেট্রল ও ডিজেলে ১ টাকা সেস বসছে
সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর ওপরে আমদানি শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে হবে ১২.৫ শতাংশ।
গাড়ির যন্ত্রাংশ, অপটিক্যাল ফাইবার, ডিজিট্যাল ক্যামেরা, কয়েক ধরনের কৃত্রিম রবার ও ভিনাইল ফ্লোরিং-এর ওপরে মূল কাস্টমস ডিউটি
শেষ আপডেট: 5 July 2019 09:00
- পেট্রল ও ডিজেলে ১ টাকা সেস বসছে
- সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর ওপরে আমদানি শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে হবে ১২.৫ শতাংশ।
- গাড়ির যন্ত্রাংশ, অপটিক্যাল ফাইবার, ডিজিট্যাল ক্যামেরা, কয়েক ধরনের কৃত্রিম রবার ও ভিনাইল ফ্লোরিং-এর ওপরে মূল কাস্টমস ডিউটি বাড়ছে।
- আমদানি করা বইয়ের ওপরে কাস্টমস ডিউটি বসছে পাঁচ শতাংশ।
- কয়েকটি বৈদ্যুতিন যন্ত্রের বিভিন্ন অংশের আমদানির ওপরে কাস্টমস ডিউটি ছাড় দেওয়া হল
- নির্দিষ্ট কয়েকটি পণ্যের ওপরে মূল কাস্টমস ডিউটি বাড়ানো হল।
- ভারতে তৈরি কয়েকটি বৈদ্যুতিন যন্ত্রের ওপরে কাস্টমস ডিউটি ছাড় দেওয়া হল।
- বিদেশে তৈরি প্রতিরক্ষার সরঞ্জাম আমদানির সময় মূল কাস্টমস ডিউটি দিতে হবে না।
- পুরোপুরি অটোমেটেড জিএসটি রিটার্ন মডেল চালু হবে।
- ২ কোটি থেকে ৫ কোটি এবং ৫ কোটির উর্ধ্বে যাঁদের আয়, তাঁদের বাড়তি সারচার্জ দিতে হবে। ট্যাক্স রেট ২ কোটি থেকে ৫ কোটি আয়ের ক্ষেত্রে তিন শতাংশ ও পাঁচ কোটির বেশি আয় হলে সাত শতাংশ বাড়বে।
- বছরে ব্যাঙ্ক থেকে ১ কোটি টাকার বেশি তুললে আয়ের উৎসমুখে কর কাটা হবে দুই শতাংশ।
- প্যান ও আধার কার্ড একটির বদলে অপরটি ব্যবহার করা যাবে।
- সাড়ে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত গৃহঋণে ছাড় বাড়ছে। ১৫ বছরের মেয়াদে গৃহঋণ নিলে সাত লক্ষ টাকা ছাড় মিলবে।
- স্টার্ট আপ সংস্থাগুলি যে তহবিল সংগ্রহ করবে তার ওপরে ইনকাম ট্যাক্স স্ক্রুটিনি হবে না।
- যে কোম্পানিগুলির বার্ষিক টার্ন ওভার ৪০০ কোটি পর্যন্ত, তাদের কর্পোরেট ট্যাক্স দিতে হবে ২৫ শতাংশ।
- পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত যাঁদের বার্ষিক আয়, তাঁদের আয়কর দিতে হবে না।
- কর প্রশাসনকে সরলতর করা হবে।

- প্রত্যক্ষ কর আদায় প্রতি বছর ১০ শতাংশের চেয়ে বেশি হারে বাড়ছে।
- স্বাধীনতার পরে ৫০ বছরে আমরা অধিকারের ওপরে জোর দিয়েছি। স্বাধীনতার ৭৫ বছরে আমরা জোর দেব দেশের প্রতি আমাদের কর্তব্যের ওপরে। একইসঙ্গে অধিকারগুলিও বজায় থাকবে।
- ভারতের বিদেশী ঋণ এখন সবচেয়ে কম। মোট জাতীয় উৎপাদনের পাঁচ শতাংশের কম।
- আগামী পাঁচ বছরে পরিকাঠামোয় ১০০ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।
- বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির অনাদায়ী সম্পদের পরিমাণ গত এক বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকা কমানো হয়েছে।
- অনাবাসী ভারতীয়দের মধ্যে যাঁদের ভারতীয় পাসপোর্ট আছে, তাঁরা দেশে আসামাত্রই আধার কার্ড পাবেন। আগের মতো ১৮০ দিন অপেক্ষা করতে হবে না।
- যে সেলফ হেলপ গ্রুপগুলিতে একজন মহিলা আছেন, তারা মুদ্রা প্রকল্পে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পাওয়ার উপযুক্ত বিবেচিত হবে।
- উজালা যোজনায় ৩৫ কোটি এলইডি বাল্ব বিলি করা হবে।
- স্টার্ট আপদের জন্য একটি টিভি চ্যানেল খোলা হবে।
- বিভিন্ন শ্রম আইনকে একসঙ্গে যুক্ত করে চারটি লেবার কোড তৈরি হবে।
- খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্পের আওতা বাড়ানো হবে।
- স্কুলে এবং উচ্চশিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে চলেছে।
- আমাদের দেশের ৯৫ শতাংশ শহরে কাউকে খোলা আকাশের নীচে মলমূত্র ত্যাগ করতে হয় না।
- দ্রুত নগরায়নের ফলে দেশের সামনে নতুন সুযোগ খুলে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৮১ লক্ষ বাড়ি বানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- স্বচ্ছ ভারত অভিযানে ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর থেকে এখনও পর্যন্ত ৯ কোটি ৬০ লক্ষ শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ৫ লক্ষ ৬০ হাজার গ্রামে এখন কাউকে খোলা আকাশের নীচে মলমূত্র ত্যাগ করতে হয় না।
- ২০২৪ সালের মধ্যে প্রতিটি ঘরে জল পৌঁছে দেওয়া হবে। দেশের জলসম্পদ নিয়ন্ত্রণ করবে জল শক্তি মন্ত্রালয়।
- জিরো বাজেট ফার্মিং মডেল চালু করা হবে।
- প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় ৩০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হবে। সেই কাজে ব্যবহৃত হবে পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি।
- সরকার ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করবে,
- গ্রামের প্রতিটি বাড়ি বিদ্যুৎ ও রান্নার গ্যাস পাবে।
- এনআরআই বিনিয়োগ প্রকল্প ও বিদেশী পোর্টফোলিও বিনিয়োগ প্রকল্প একসঙ্গে যুক্ত করা হবে।
- উড়ান ও গণমাধ্যমে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের উর্ধ্বসীমা বাড়ানো হবে। বিমার ইন্টারমিডিয়ারিজের ওপরে ১০০ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগে অনুমতি দেওয়া হবে।
- যে পাইকারি ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের বার্ষিক লেনদেন দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত, তাঁদের অবসরভাতা সক্রান্ত সুবিধা বাড়ানো হবে।
- ২০১৮-৩০ সালের মধ্যে রেলের পরিকাঠামোয় ৫০ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। দ্রুত উন্নয়নের জন্য পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে কাজ করা হবে।
অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, স্বাধীনতার পরে ভারতীয় অর্থনীতির আয়তন ১ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে লেগেছে ৫৫ বছর। আমরা মাত্র পাঁচ বছরে তাতে আরও ১ হাজার কোটি ডলার যোগ করেছি।