
সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
শেষ আপডেট: 9 May 2024 16:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত কয়েকবছর ধরেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে ঘরবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শেষ দুটি নির্বাচনে দলের প্রচারে বেরোতে পারেননি বুদ্ধবাবু।
তবে এখনও নিয়ম করে তাঁর পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে ভিড় জমে পার্টি কর্মীদের। তাঁদের কাছ থেকে খবরাখবর নেন অশীতিপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্য তো বটেই নিয়ম করে প্রতিদিন দেশের খবরাখবরেরও খোঁজ রাখেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদন বুদ্ধবাবুকে পড়ে শোনান স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বুদ্ধবাবুর আর্শীবাদ নিতে এসেছিলেন দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের বাম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। মীরাদেবীর কথায়, "উনি চোখে অতটা দেখতে পান না। তবে সায়রা কাছে গিয়ে নিজের পরিচয় দিতেই উনি ভিতর থেকে চনমনে হয়ে উঠলেন। মাথায় হাত রেখে আর্শীবাদ করলেন। আসলে বুদ্ধবাবু বরাবরই চেয়েছেন তরুণ প্রজন্ম যেন রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেয়।"
আর কী কথা হল? মীরাদেবী বলেন, "ওই, আমার কাছে যেমন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে রাজ্যের, দেশের খবর জানেন একইভাবে সায়রার কাছেও ওর কেন্দ্রের যাবতীয় খোঁজ নিলেন। জানতে চাইলেন, পরীক্ষা কবে, প্রস্তুতি কেমন?"
একসময় বঙ্গ সিপিএমের মুখ ছিলেন তিনি। ভোট এলে নাওয়া খাওয়া ভুলে রাজ্যের প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট প্রচারে যেতে হত তাঁকে।
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিপিএমের ব্রিগেডে গাড়িতে চেপে হাজির হয়েছিলেন বুদ্ধবাবু। কিন্তু অসুস্থতার জন্য গাড়ি থেকেই নামতে পারেননি। তারপরে আর সেভাবে প্রচারে দেখা যায়নি বুদ্ধবাবুকে।
সশরীরে প্রচারে যেতে না পারলেও চব্বিশের লোকসভা ভোটেও বামেদের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন বুদ্ধবাবু। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে গত ৪ মে সমাজমাধ্যমে বুদ্ধবাবুর অবয়বকে তুলে ধরেছে সিপিএম। যেখানে বুদ্ধবাবুর কণ্ঠে উঠে এসেছে- কেন বামেদের জেতানো জরুরি, তার ব্যাখ্যাও।