শেষ আপডেট: 20 December 2018 18:41
পালোলেম
ঘটনার পরই পালোলেম পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সমস্ত ঘটনা জানিয়ে নিজের বয়ান দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, গোয়ায় মাঝেমাঝেই ঘুরতে আসেন এই মহিলা। স্থানীয়রাও তাঁকে চেনেন। প্রায় ১০ বছর ধরে গোয়ায় তাঁর যাতায়াত। বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ার কাণকোণ স্টেশন থেকে ট্রেন ধরার কথা ছিল তাঁর। উত্তর গোয়ায় থিবিমে যাচ্ছিলেন মহিলা। কিন্তু, স্টেশনে যেতে দেরি হওয়া ট্রেন ধরতে পারেননি। তাই ফিরে আসেন পালোলেমেই। সমুদ্র সৈকতেই কিছুক্ষণ কাটিয়ে মূল রাস্তায় উঠতেই তাঁর উপর হামলা চালায় ওই যুবক। মরণোত্তর অঙ্গদানে নজির, এক দিনেই কয়েকজনের প্রাণ বাঁচালেন কুড়ি বছরের সজল মহিলার অভিযোগ দায়েরের পরই তৎপর হয় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় যুবককে। ধৃত যুবক স্থানীয় বাসিন্দা বলে খবর। জেরায় সে জানায়, অনেকদিন ধরেই মহিলার উপর নজর ছিল তার। গোয়ার পালোলেমে বিদেশি পর্যটকদের ভিড় সবচেয়ে বেশি। ধর্ষণ, লুঠ, খুন গোয়ায় প্রায় জল ভাতে পরিণত হয়েছে। এমনকী পুলিশের বিরুদ্ধে দুষ্কৃতীদের মদত দেওয়ার অভিযোগও উঠছে। ১০ ডিসেম্বর গণধর্ষণে অভিযুক্ত এক যুবক গোয়ার জেল থেকে পালায়। তার বিরুদ্ধে একাধিক বিদেশি মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্তকে পালাতে সাহায্য করে তিন পুলিশ কর্মী। আপাতত তাদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই বছরের অক্টোবর পর্যন্ত গোয়ার ভাস্কোতে ১৬ নাবালিকা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এতকিছুর পরও পুলিশের দাবি কড়া হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে তারা।