
বস্কো এবং ম্যাক্সি
শেষ আপডেট: 12 January 2025 14:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গঙ্গাসাগর মেলায় (Gangasagar Mela) যাতে কোনও বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে দিকে নজর রাখতে আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সাগরে গিয়ে কলকাতায় ফিরে আসার আগে আগে মেলার প্রস্তুতি, ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লম্বা তথ্য পেশ করেন তিনি।
বাংলাদেশের পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মমতা এও বলেছিলেন যে ওপারের অশান্তির আঁচ যেন গঙ্গাসাগরে এসে না পৌঁছয়। এর জন্য নিরাপত্তার আঁটসাঁট খেয়াল রাখতে প্রশাসন তো বটেই, নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাবাহিনীকেও। তার টের পাওয়া গেল।
গঙ্গাসাগরের (Gangasagar Mela) নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে এখন যে দু'জনের নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা হল বস্কো এবং ম্যাক্সি। তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার এরা দু'জনেই জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দুই প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ।
এনডিআরএফ-এর সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের টিম কমান্ডার ইনসপেক্টর বিশ্বজিৎ পাল জানিয়েছেন, এ বছর ডগ স্কোয়াডের সঙ্গে রয়েছে একজন ডিপ ডাইভার স্পেশালিস্টও। সাগর স্নানে কেউ যদি জলে ডুবে যায় তাহলে তাকে উদ্ধার করার জন্য উন্নত মানের সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুত রয়েছেন এই ডিপ ডাইভার স্পেশালিস্ট।
বস্তুত, ৭০ জনেরও বেশি এনডিআরএফ মোতায়েন করা রয়েছে সাগর মেলা প্রাঙ্গণে। সাত দিন, ২৪ ঘণ্টা ১০ জনের বেশি মহিলা কর্মী জলপথে নজরদারি চালাবেন। এঁদের সকলের সঙ্গেই রয়েছে বস্কো এবং ম্যাক্সিও।
প্রশাসন সূত্রের খবর, গঙ্গাসাগর মেলার জন্য এবারে প্রায় ১২ হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি নজরদারির দায়িত্বে থাকবে নেভি, কোস্ট গার্ড, আইবি-র কর্মীরাও।
অন্য বারের তুলনায় এবারে শুধু ওয়াচ টাওয়ারের সংখ্যা বাড়ানোয় নয়, সেগুলির উচ্চতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। অনেকটা বেশি এলাকা জুড়ে নজরদারি চালানোর জন্যই এই ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।
অন্যবারে মেলা শেষ হওয়ার পর পুলিশ কর্মীদের ডিউটি শেষ হয়ে যায়। কিন্তু এবার ব্যাতিক্রম। মেলা শেষের পর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ কর্মীদের ডিউটি শেষ হয়ে যাবে না। পরবর্তী নির্দেশ না যাওয়া পর্যন্ত সেখানে পুলিশ পোস্টিং অব্যাহত রাখার কথাও বলা হয়েছে।