দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনার নতুন স্ট্রেনের আতঙ্কে কড় লকডাউন চালু হয়ে গেছে ব্রিটেনে। এমন পরিস্থিতিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ভারতে আসতে পারবেন কিনা সে নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। তবে ব্রিটিশ হাইকমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, পরিকল্পনায় আপাতত কোনও বদল হবে না। এখনও অবধি যা খবর, প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতে প্রধান অতিথি হয়ে যাবেনই বরিস জনসন।
ব্রিটিশ হাইকমিশন জানাচ্ছে, করোনার নতুন স্ট্রেন নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হলেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তার ছাপ ফেলতে চান না বরিস জনসন। তিনি যেমন সাদরে ভারতের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছিলেন, তেমনিই নিমন্ত্রণ রক্ষা করতেও যাবেন।
১৯৯৩ সালে ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জন মেজর। এর প্রায় তিন দশক পরে ফের কোনও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হয়ে আসতে চলেছেন। মোদী আগেই বলেছিলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে একজোট হয়ে কাজ করবে দুই দেশ। করোনা মহামারী শুধু নয় আগামী দিনে প্রতিরক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, জলবায়ু বদল ইত্যাদি নানা বিষয়ে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে দুই দেশেরই।
তবে মাঝে ব্রিটেনের নয়া মিউট্যান্ট স্ট্রেন নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর পরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য দফতর জানায়, নতুন স্ট্রেন দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। নয়া স্ট্রেনে আক্রান্ত হাজার ছাড়িয়ে গেছে। হাসপাতালে কোভিড রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আসার সম্ভাবনাও দেখা গিয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ব্রিটেনের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় ভারত। তবে এখন অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৮ জানুয়ারি থেকে বিমান পরিষেব আবার চালু হবে। তবে সাতদিনে দুই দেশের মধ্যে ১৫টির বেশি বিমান চলাচল করতে পারবে না। দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদ বিমানবন্দরেই আংশিকভাবে চালু হবে এই পরিষেবা।