দ্য ওয়াল ব্যুরো : কিছুদিন আগে এক এমপি-র সঙ্গে দেখা করেছিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। পরে সেই এমপি-র করোনা ধরা পড়ে। সেজন্য সেলফ আইসোলেশনে গিয়েছেন বরিস জনসন। সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আপাতত তিনি ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে কাজ চালাবেন। গত এপ্রিলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হন। তাঁকে আইসিইউতে রাখতে হয়েছিল তিনদিন। এবার অবশ্য তাঁর শরীরে রোগের কোনও লক্ষণ নেই।
বিশ্ব জুড়ে কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ কোটি ৪০ লক্ষ। মারা গিয়েছেন ১৩ লক্ষ মানুষ। গত কয়েকমাসে বিভিন্ন দেশে নতুন করে কোভিডের সংক্রমণ বেড়েছে। তাই ইউরোপের বহু শহরে চালু হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। অতিমহামারী ঠেকাতে নানা নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে লন্ডনেও। জার্মানি জানিয়েছে, আগামী কয়েক মাস তারা নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখবে।
অস্ট্রেলিয়ার মতো কোনও কোনও দেশ করোনা অতিমহামারী নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেছিল। সেখানে ফের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সোমবার থেকে হংকং-এর বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও পানশালায় জারি হয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা।
করোনা অতিমহামারীতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমেরিকা। গত রবিবার অবধি সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ কোটি ১০ লক্ষ। ফলে আমেরিকা জুড়েই নানা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সোমবার আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম শহর শিকাগোয় নগর প্রশাসন সাধারণ মানুষকে বলেছে, আপনারা ঘরে থাকুন। নিউ ইয়র্ক শহরে রেস্তোরাঁ ও পানশালাগুলিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
ভারতে এখন করোনা সংক্রমণ কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০,৫৪৮ জন। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৪৩৫ জনের। সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৩,৮৫১ জন। দেশে এখন সুস্থতার হার ৯৩.১৭ শতাংশ। এবং মৃত্যুহার ১.৪৭ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুসারে আজ ১৬ নভেম্বর সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮,৪৫,১২৭। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১,৩০,০৭০ জনের। সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৮২,৪০,৫৭৯ জন। ভারতে এখন অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৪,৬৫,৪৭৮।
মহারাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭,৪৭,২৪২ জন। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৪৫,৯৭৪ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১৬,১৫,৩৭৯ জন। মহারাষ্ট্রে অ্যাকটিভ কেস ৮৫,৮৮৯।
কর্নাটকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮,৬১,৬৪৭। মৃত্যু হয়েছে ১১,৫২৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৮,২২,৯৫৩ জন। কর্নাটকে অ্যাকটিভ কেস ২৭,১৬৫।
অন্ধ্রপ্রদেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৫৪,০১১ জন। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৬৮৬৮ জনের। সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৮,২৮,৪৮৪ জন। অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ১৮,৬৫৯।
তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭,৫৮,১৯১। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১১,৪৭৮ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭,৩০,২৭২ জন। তামিলনাড়ুতে অ্যাকটিভ কেস ১৬,৪৪১।
উত্তরপ্রদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫,১১,৩০৪। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৭৩৭২ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৪,৮০,৯৬৫ জন। উত্তরপ্রদেশে অ্যাকটিভ কেস ২২,৯৬৭।