আফগানিস্তানে ভোটের মিছিলে একের পর এক বিস্ফোরণ, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের দিন যত এগোচ্ছে ততই বাড়ছে নাশকতা। ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই পর পর বিস্ফোরণ আফাগনিস্তানে। শনিবার বিকেলে তাখার প্রদেশে নির্বাচনী প্রচারের মিছিলে বিস্ফোরণ হয়। এখনও পর্যন্ত ২২ জনের মৃত্যুর খবর।এই নিয়ে চলতি মাসে তিনবার বিস্ফোরণে
শেষ আপডেট: 13 October 2018 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের দিন যত এগোচ্ছে ততই বাড়ছে নাশকতা। ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই পর পর বিস্ফোরণ আফাগনিস্তানে। শনিবার বিকেলে তাখার প্রদেশে নির্বাচনী প্রচারের মিছিলে বিস্ফোরণ হয়। এখনও পর্যন্ত ২২ জনের মৃত্যুর খবর।এই নিয়ে চলতি মাসে তিনবার বিস্ফোরণে কাঁপল আফগানিস্তান।
বেছে বেছে নির্বাচনী প্রার্থীদের নিশানা করে নাশকতার ছক। শনিবারের বিস্ফোরণও সেই ইঙ্গিতই দিল। তাখার প্রদেশে নির্বাচনী প্রচারে ঢুকে পড়ে একটি বাইক। সেই বাইক ফেটেই বিস্ফোরণ হয়। ঘটনাস্থলেই ১৩ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়। এরপরই লাফিয়ে লাফিয়ে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কোনওরকমে প্রাণে বাঁচেন নির্বাচনী প্রার্থী নাজিফা বেগ।
২০ অক্টোবর আফগানিস্তানের সাধারণ নির্বাচন। ভোটের দিন ঘোষণার পরই বয়কটের ফতোয়া জারি করে আফগানিস্তানের তালিবান। গত কয়েকমাসে অগুন্তি বিস্ফোরণে কয়েকশো আফগান নিহত হয়েছেন। জালালাবাদে আফগানিস্তানে বসবাসকারী ভারতীদেরও মৃত্যু হয় জোড়া বিস্ফোরণে। চলতি মাসের ৯ তারিখেই হেলমন্দ প্রদেশের নানগরহরের নির্বাচনী প্রচারেইবিস্ফোরণ হয়, প্রান যায় ১৪ জনের। তার ঠিক আগেই কাবুলের কাছে ছোট বিস্ফোরণ হয়।
শনিবারের বিস্ফোরণের দায় এখনও কোনও জঙ্গি সংগঠন স্বীকার করেনি। তবে, তালিবানদের উপরই সন্দেহ বাড়ছে। আফগানিস্তানের বেশিরভাগ এলাকায় তালিবান জঙ্গি সংগঠন সক্রিয়, কয়েকটি এলাকায় আইসিসের প্রভাবও আছে।
একের বদলে দশ! সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে ভারতকে কড়া হুমকি পাক সেনার
অগাস্ট মাসেই আফাগানিস্তানের গজনী শহর দখলে নেয় তালিবান। কান্দাহার ও কাবুলের মাঝে ছোট্ট শহর গজনীকে কাবুল থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করা হয়। তালিবানের হামলায় ১৬ নাগরিকের মৃত্যু হয়। এখনও কাবুলের পার্শ্ববর্তী ছোট্ট শহরে লুকিয়ে নাশকতার ছক করছে তালিবানিরা বলে জানাচ্ছে আফগান প্রশাসন।
এই পরিস্থিতিতে ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হবে, তা নিয়ে চি্ন্তায় আফগান প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। ২০১৪ সালের ৫ এপ্রিল আফাগানিস্তানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। এরপর ২০১৬ সালে সাধারণ নির্বাচনের দিন ঠিক হয়, যা পিছিয়ে প্রথমে ২০১৮ সালের জুলাই পরে ২০ অক্টোবর ঠিক করা হয়। তালিবান তাণ্ডবের জেরেই বার বার পিছিয়ে পড়ে ভোটের দিন। এবারও ভোট পিছিয়ে পড়লে দেশবাসীর সমর্থন হারানোর আশঙ্কায় প্রেসিডেন্ট ঘানি।